কৃষি উদ্যোক্তাদের সহায়তা দেবে ডিসিসিআইয়ের হেল্প ডেস্ক

সোমবার, ২৮ মে, ২০১৮ ১২:১৯:৫২ অপরাহ্ণ
0
107

নিজস্ব প্রতিবেদক

 বাংলাদেশের কৃষি খাতের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এ খাতের উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সহায়তা দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। এর জন্য ঢাকা চেম্বার ভবনে ‘ডিসিসিআই এগ্রো সার্ভিস ডেস্ক’ নামে একটি হেল্প ডেস্ক চালু করা হয়েছে। এ কাজে সহায়তা করেছে মার্কিন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ইউএসএআইডির এগ্রিকালচার ভ্যালু চেইনস প্রকল্প।

গতকাল ডিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি কামরুল ইসলাম হেল্প ডেস্কটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। ডিসিসিআইয়ের সহসভাপতি রিয়াদ হোসেন, পরিচালক ইমরান আহমেদ ও কেএমএন মঞ্জুরুল হক, মহাসচিব এএইচএম রেজাউল কবির, ইউএসএআইডির এগ্রিকালচার ভ্যালু চেইনস প্রকল্পের চিফ অব পার্টি পল বানডিক ও গ্লোবাল গ্যাপের প্রতিনিধি লিসা হেনিমেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কামরুল ইসলাম বলেন, ডিসিসিআই এগ্রো সার্ভিস ডেস্ক থেকে গ্লোবাল গ্যাপের সনদ ও লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া, কৃষক ও কষি খাতের উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণ এবং গ্লোবাল গ্যাপ সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে। এছাড়া এ ডেস্ক থেকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়া হবে। পাশাপাশি বাজার সম্প্রসারণে সার্বিক সহায়তাও প্রদান করা হবে। এখানে উল্লেখ্য, বাংলাদেশে গ্লোবাল গ্যাপের স্থানীয় অংশীদার ডিসিসিআই।

ডিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জানান, বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। প্রায় ২ কোটি ৪৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান এ খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৫৫ কোটি ৩০ লাখ ডলারের কৃষিপণ্য রফতানি হয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারগুলোয় বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রফতানির ক্ষেত্রে গুড এগ্রিকালচার প্র্যাকটিস (গ্যাপ) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গ্লোবাল গ্যাপের মাধ্যমে খাদ্যপণ্যের গুণগত মান, পরিমাণ, সাপ্লাই চেইন, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং কৃষক ও রফতানিকারকদের নতুন বাজার অনুসন্ধানের বিষয়গুলো নিশ্চিত করা হয়।

কামরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কৃষি খাতে গ্লোবাল গ্যাপ প্রণীত নীতিমালা মেনে চলা হয় না। অথচ গ্যাপে উল্লিখিত নীতিমালার প্রয়োগ নিশ্চিত করা হলে আমাদের কৃষিপণ্যের রফতানি বাড়বে। একই সঙ্গে দেশীয় বাজারেও কৃষিপণ্যের ব্যবহার বাড়বে ও জনগণের মধ্য থেকে অস্বাস্থ্যকর রাসায়নিকের ভীতি দূর হবে। তিনি কৃষিপণ্যের রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষক ও কৃষি খাতের উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে উত্সাহিতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।