তামাকের কর বৃদ্ধিতে চিকিৎসক ও এনজিওগুলোর সংহতি

মঙ্গলবার, ২৯ মে, ২০১৮ ১২:২৭:২৮ অপরাহ্ণ
0
142

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের আরবান প্রাইমারি হেলথ্ কেয়ার ডেলিভারি সার্ভিসেস প্রকল্প কুমিল্লা ‘তামাকের কর বৃদ্ধির দাবির প্রতি চিকিৎসক ও এনজিওগুলোর সংহতি প্রকাশ’ কর্মসূচির আয়োজন করে। সোমবার কুমিল্লার সিভিল সার্জন অফিসের সামনে আয়োজিত সংহতি প্রকাশ কর্মসূচিতে চিকিৎসক, অন্যান্য পেশাজীবী, গণমাধ্যম কর্মী এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সিগারেটের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চারটি মূল্যস্তর (নিম্ন-দেশীয়, নিম্ন-আন্তর্জাতিক, উচ্চ ও প্রিমিয়াম) বিলুপ্ত করে দুটি মূল্যস্তর (নিম্ন ও উচ্চ) নির্ধারণ, বিড়ির ক্ষেত্রে ফিল্টার এবং নন-ফিল্টার বিভাজন বিলুপ্ত করে এবং গুল-জর্দার ক্ষেত্রে এক্স-ফ্যাক্টরি প্রথা প্রভৃতি বাতিল করে সব তামাকপণ্যের প্যাকেট/কৌটা প্রতি নির্দিষ্ট পরিমাণ এক্সাইজ ট্যাক্স আরোপের দাবি জানানো হয়। এছাড়াও তামাকের ওপর আরোপিত স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ ১ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ২ শতাংশ নির্ধারণ ও অবিলম্বে তামাকের বিদ্যমান শুল্ক-কাঠামোর পরিবর্তে কার্যকর তামাক শুল্কনীতি প্রণয়নেরও দাবি জানানো হয়। কুমিল্লা জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান, উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কুমিল্লা মো. মাহবুবুল করিম, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহাদৎ হোসেন, ক্লিনিক ম্যানেজার নগর মাতৃসদন ডা. এবিএম জুবায়ের, সূর্যের হাসির ক্লিনিক ম্যানেজার কাজী ইকরাম হোসেন, মেরিস্টপ ক্লিনিকের সিনিয়র ক্লিনিক ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান, এফপিএবির জেলা কর্মকর্তা মো. আত্তাব উদ্দীন এবং আরবান প্রাইমারি হেলথ্ কেয়ার ডেলিভারি সার্ভিসেস প্রকল্প, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. মোশাররফ হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। তামাক নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে তামাকের ওপর উচ্চ হারে করবৃদ্ধির মাধ্যমে তামাকের মূল্য বৃদ্ধি করা। এ উদ্দেশ্যকে সামনে নিয়ে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন তামাকজাত দ্রব্যের করবৃদ্ধির দাবিতে ‘চাইলে উন্নয়ন জনস্বাস্থ্যের চাইলে দেশের সমৃদ্ধি করতে হবে তামাকজাত দ্রব্যের করবৃদ্ধি’ এ স্লোগানে সংহতি প্রকাশ কর্মসূচির আয়োজন করে।