প্রচ্ছদ

মহাসড়ক নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন সেতুমন্ত্রী

২৯ মে ২০১৮, ১২:৫৪

যুগের কন্ঠ ২৪ ডট কম

যুগেরকন্ঠ ডেস্ক:

দেশের মহাসড়কগুলো অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন অধিকতর ভাল হলেও, তাতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের তিনি এ কথা জানান।

যুগের কন্ঠ২৪.কম পাঠকদের জন্য ওবায়দুল কাদেরের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

ঈদযাত্রা জনগণের নিরাপদে এবং নির্বিঘ্নে ঘরে ফেরা নিশ্চিত করতে অন্যান্য বছরের মত এবারও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সজাগ। এ বছর রমজানের আগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্ত্রণালয়। সম্পৃক্ত করা হয়েছে সকল স্টেক-হোল্ডারদের। এবার সমন্বয় সভাগুলো করা হয়েছে মাঠপর্যায়ে। কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর এবং ফেনীতে চারটি সমন্বয় সভা হয়েছে। এ সকল সভায় জনপ্রতিনিধি, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ি প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণ ছিলো।

আসন্ন ঈদের আগের চারদিন এবং পরের চারদিন চব্বিশ ঘণ্টা সারাদেশের সিএনজি স্টেশনসমূহ খোলা থাকবে। ঈদের আগে তিনদিন মহাসড়কে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পঁচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ঔষধ, কাঁচা চামড়া এবং জ্বালানী বহনকারী যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত।

উল্টোপথে গাড়ি চালনা এক ধরণের ব্যাধি। প্রভাবশালীরাই এ কাজ বেশি করে থাকেন। এতে সৃষ্টি হয় অনাকাঙ্খিত যানজট। যত প্রভাবশালীই হোক কিংবা ভিআইপি হোক এমনকি আমি হলেও উল্টোপথে গাড়ি চালালে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।

ঈদের সময় যানজট এবং অতিরিক্ত চাপ এড়াতে এলাকাভিত্তিক গার্মেন্টসমূহ ধাপে ধাপে ছুটি দেয়া এবং খোলার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ’কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাস টার্মিনাল এবং মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে এবং সড়কপথে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, পকেটমার, মলমপার্টি ও অজ্ঞানপার্টির দৌরাত্ম্য রোধে সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহ সজাগ থাকবে। মহাসড়কে যানবাহনের গতি অব্যাহত রাখতে ঈদের পূর্বে সাতদিন এবং পরে সাতদিন সুনির্দিষ্ট পূর্ব তথ্য ব্যতীত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক সড়কের উপর মোটরযান থামানো যাবে না। কোনোভাবেই ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলতে দেয়া যাবে না। ঢাকা মহানগরীতে যত্রতত্র পার্কিং বন্ধে মোবাইল কোর্ট চালানো হবে। সড়ক মহাসড়কের যেখানে সেখানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো যাবে না।

জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে নছিমন, করিমন, ভটভটি, ইজিবাইক, মাহেন্দ্র ও ব্যাটারিচালিত রিক্সা যানবাহন চলাচল বন্ধের জন্য বলা হয়েছে। বাইশটি জাতীয় মহাসড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশা এবং নন-মোটরাইজড যানবাহন চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মোটরসাইকেলে দুজনের বেশি আরোহী থাকবে না। প্রত্যেক আরোহীকে হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।

যানজট ও দুর্ভোগ এড়াতে সেতুসমূহের টোল আদায়কারী সকল বুথ চব্বিশ ঘণ্টা খোলা রাখা হবে। দ্রুত টোল আদায় করতে যানবাহনের মালিক ও চালকদের নির্দিষ্ট পরিমাণ টোলের অর্থ হাতে রাখার জন্য অনুরোধ করছি। ফেরিঘাটে গাড়ি পারাপারে অতিরিক্ত ফেরি মজুদ রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দ্রুত সরিয়ে নিতে বঙ্গবন্ধু সেতু, মেঘনা সেতু ও গোমতী সেতুসহ দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানে রেকার ও ক্রেন রাখার জন্য বলা হয়েছে। অনাকাঙ্খিত ও অপ্রত্যাশিত বড় ধরনের দুর্ঘটনা পরবর্তী দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনায় হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখতে সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে।

অনভিজ্ঞ, লাইসেন্সবিহীন চালকের মাধ্যমে গাড়ি না চালাতে এবং চালকদের একটানা ও অতিরিক্ত ট্রিপ না দেয়ার জন্য পরিবহন মালিকদের অনুরোধ জানাচ্ছি। সড়কপথের দু’পাশের সিএনজি স্টেশনের টয়লেটসমূহ ব্যবহার উপযোগি রাখার জন্য বলা হয়েছে।

যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে মহানগরী এবং জাতীয় আঞ্চলিক মহাসড়কের উভয় পাশে কোনো ধরনের অস্থায়ী এবং ভাসমান বাজার বসানো যাবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা ঘাটে (সেতু সংলগ্ন) বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ফেরি চলাচলের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। চলছে জরুরি ভিত্তিতে ঘাট মেরামতের কাজ। আশা করা যায় এ ঘাট ঈদের এক সপ্তাহ আগেই প্রস্তুত হয়ে যাবে।

মহাসড়কে ঈদের সময় প্রায়শ যানজট দেখা দেয়। ওভারস্পীড, ওভারটেকিং, ফিটনেসবিহীন গাড়িসহ সবার আগে যেতে চাওয়া, উল্টোপথে যাওয়া, ট্রাফিক আইন না মানা ইত্যাদি কারণেও যানজট তৈরি হয়। ঘটে অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা। অনেক সময় যাত্রীগণও চালকদের দ্রুত গাড়ি চালানোর জন্য তাড়া দেয়।

আবার ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার না করে শত শত মানুষের রাস্তা পারাপারের দৃশ্য বড়ই বেমানান লাগে। পৃথিবীর অনেক দেশে আরো অপ্রশস্ত রাস্তায় যথাযথভাবে মেইনটেইন করেই পরিবহন ব্যবস্থাপনা চলছে। সড়ক মহাসড়কে নির্বিঘ্নে চলাচলে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি বলে মনে করি। প্রয়োজন ট্রাফিক আইন মেনে চলা।

সারাদেশের সড়ক মহাসড়কের জরুরি মেরামত কাজ ৮ জুনের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মহাসড়কসমূহ অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন অধিকতর ভাল। তবে মন্ত্রী হিসেবে বলবো, দেশের সর্বত্র যে চিত্র তাতে আমি পুরোপুরি সন্তুষ্ট নই।

সড়ক সংস্কারের চাহিদার বিপরীতে যে বরাদ্দ পাওয়া যায় তা দিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে প্রায় ২১ হাজার কিলোমিটার জাতীয়, আঞ্চলিক এবং জেলা সড়কের মেরামত ও সংস্কার কাজ করতে হয়। এতে কিছু কিছু সড়ক কাভারেজের বাইরে থেকে যায়। একথা অস্বীকারের উপায় নেই যে, দেশের সড়ক নির্মাণ এবং সংস্কার কাজের গুণগতমান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে জনমনে। এ বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে নিয়ে মান উন্নয়নের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নে সকল সরকারি দপ্তরের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জরুরি বলে মনে করি। এছাড়া মহাসড়কের পাশের সকলস্তরের জনপ্রতিনিধিগণ আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।

উন্নয়নযাত্রা
বদলে যাচ্ছে দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।

আজ ২৯ মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় দেশের ৫টি বিভাগে ১০১টি জেলা সড়ক প্রশস্তকরণ এবং মজবুতকরণ প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এর আগে ৩টি বিভাগের জেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয়। জেলা সড়ক উন্নয়নে এতদিন আমাদের কিছুটা ঘাটতি ছিলো। এখন আর ঘাটতি রইল না।

দেশের অর্থনীতির প্রধান আর্টারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। এ মহাসড়কের দাউদকান্দি হতে চট্টগ্রামের সিটি গেইট পর্যন্ত প্রায় একশ নব্বই কিলোমিটার চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। গতি পেয়েছে আমদানী রপ্তানী বাণিজ্য। কমেছে ভ্রমণ সময়। মুখোমুখি সড়ক দুর্ঘটনা এখন নেই বললেই চলে। প্রকল্পের আওতায় এ মহাসড়কে ২৩টি সেতু, ২৪২টি কালভার্ট, ৩টি রেলওয়ে ওভারপাস, ১৪টি সড়ক বাইপাস, ২টি আন্ডারপাস, ৩৪টি স্টীল ফুটওভার ব্রীজ, ৬১টি বাস-বে এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক যাত্রী ছাউনী নির্মাণ করা হয়েছে। সড়কটিকে দৃষ্টিনন্দন করতে মিডিয়ানে লাগানো হয়েছে নানান প্রজাতির ফুলগাছ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ি হতে কাঁচপুর পর্যন্ত অংশ ইতোমধ্যে আট লেনে উন্নীত করা হয়েছে। জাপানী সহায়তায় নির্মাণ করা হচ্ছে দ্বিতীয় কাঁচপুর, দ্বিতীয় মেঘনা, দ্বিতীয় গোমতী সেতু। সেতু তিনটির নির্মাণ কাজ নির্দিষ্ট সময়ের ছয় মাস আগেই শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া এ প্রকল্পে প্রায় সাত শত কোটি টাকা সাশ্রয় হতে যাচ্ছে। যা দেশের প্রকল্প বাস্তবায়নে এক অনন্য নজির। সেতু তিনটি নির্মিত হলে দেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ আর কোন যানজট থাকবে না। এদিকে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-এডিপি বাস্তবায়নে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শতভাগ বাস্তবায়নের রেকর্ড গড়েছে।

ইতোমধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে ৮৭ কিলোমিটার দীর্ঘ জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ। দুটি প্যাকেজ বাস্তবায়নে জটিলতা দেখা দিলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ডিপোজিট ওয়ার্ক হিসেবে অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে। এ প্রকল্পের আওতায় ১৫৫টি কালভার্ট, ৫টি সেতু, ১টি রেল ওভারপাস, ৪টি স্টীল ফুটওভার ব্রীজ এবং ১০টি বাস-বে নির্মাণ করা হয়েছে। মাওনায় নির্মাণ করা হয়েছে শহরের বাহিরে দেশের প্রথম ফ্লাইওভার। নির্ধারিত সময়ের ছয়মাস আগেই ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

পার্বত্য এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা সহজতর এবং উন্নয়নবান্ধব করতে বাস্তবায়ন করা হয়েছে ব্যাপক কার্যক্রম। দুর্গম পাহাড়ের উপর থানচি-আলিকদম সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছে, যা দেশের সর্বোচ্চ সড়ক। বিসিআইএম করিডোরের আওতায় মিসিং লিংক হিসেবে নির্মাণ করা হচ্ছে বালুখালি-ঘুনধুম সড়ক। দেশের সীমান্ত এলাকা দিয়ে সীমান্তসড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়ক প্রশস্তকরণ কাজ এগিয়ে চলেছে।

পাহাড় ধ্বসের পর জরুরি ভিত্তিতে স্বল্পসময়ে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কের যোগাযোগব্যবস্থা পুনঃসচল করা হয়েছে। অস্থায়ীভাবে একটি বেইলি সেতু নির্মাণসহ ১২৮টি পয়েন্টে ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক মেরামত করা হয়েছে। স্থায়ী মেরামতের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। নির্মাণ করা হয়েছে তবলছড়ি কনক্রিট ব্রীজ।

নির্মাণ কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে দীর্ঘ প্রতিক্ষিত প্রায় আধা কিলোমিটার দীর্ঘ নানিয়ারচর সেতু। চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি সড়কের ৩৭ কিলোমিটার মেরামতকাজ সম্পন্ন হয়েছে। রাঙ্গামাটি-বান্দরবান সড়কের বান্দরবান অংশের ৩১ কিলোমিটারের কাজ চলমান রয়েছে। রাঙ্গামাটি-মানিকছড়ি-মহালছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের কাজ গত অর্থবছরে সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ এবং সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় দূর্গম এলাকায় যোগাযোগ স্থাপনে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে ব্যাপক কার্যক্রম। এ জেলায় ৪৬টি ব্রীজ এবং ১৩টি কালভার্ট নির্মাণে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। এরই মধ্যে ১৪টি ব্রীজ এবং ১১টি কালভার্টের নির্মাণ শেষ হয়েছে। চলমান রয়েছে ৩২টি ব্রীজ এবং ২টি কালভার্টের কাজ। এছাড়া জাপানী সহায়তাপুষ্ট ইস্টার্ন ব্রিজ ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কে ১৪টি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে সিন্ধুকছড়ি-মহালছড়ি সড়কের কাজ। মাটিরাঙ্গা-তানইক্যাপাড়া ও খাগড়াছড়ি-পানছড়ি সড়কের সংস্কার শেষ হয়েছে। চলমান রয়েছে রামগড়-জালিয়াপাড়া সড়কের ওভার-লে কাজ।

Shares