লোডশেডিংয়ের কবলে জাবির হাজারো শিক্ষার্থী

বুধবার, ৩০ মে, ২০১৮ ১০:০৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ
0
122
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গত কয়েকদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সুবিধা না পাওয়ায় ভোগান্তির কবলে বিশ্ববিদ্যালয়টির হাজারো শিক্ষার্থী। চলতি রমজান মাসে অনেক বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীরা সময় মতো পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারছে না বলে অনেকে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

খোজঁ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসিক হলসহ, বিভাগের ক্লাসরুম, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থীরা আগের তুলনায় বিদ্যুৎ সুবিধা কম পাচ্ছে। গত কয়েক মাসের তুলনায় বর্তমানে বিদ্যুৎ সারা দিন রাত যাওয়া আসার মধ্যে থাকে। দিনে তো বটে, বরং প্রচন্ড গরমের রাতেও সময় মতো বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেকে প্রশাসনের সুষ্ঠ নজরদারির অভাবে এমনটা হচ্ছে বলে দাবি করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শাকিল মজুমদার বলেন, দিনে প্রচন্ড রোদ আর রাতে গরমে জীবন যায় যায় অবস্থা। তার উপর ক্লাসে এবং হলে সবসময় বিদ্যুৎ থাকছে না। এ সমস্যা আগে অনেক কম ছিল কিন্তু ইদানীং প্রচণ্ড রকমের বিদ্যুৎ বিভ্রাট লক্ষ্য করছি। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান দাবি করছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে পড়াশোনা করতে পাচ্ছি না। দিনে ও রাতে রুটিন করে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা যাচ্ছে। ফলে না পারছি বিসিএসের পড়াশোনা করতে আর না পারছি একাডেমিক পড়াশোনা করতে। এ বিষয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

আইন ও বিচার বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শিহাব শাহরিয়ার বলেন, বিভাগের পরীক্ষা চলছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে পারছি না।

কেন এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. শামসুল হক মৃধার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,  বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সমিটারে আগুন লেগে সংযোগ তার পুড়ে গেছে। তাছাড়া গত কয়েকদিন ধরে আকাশের বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় গাছের ডালপালা ভেঙ্গে  বিদ্যুৎতের সংযোগ তারের উপর পড়ায় সংযোগ বিছিন্ন হয়েছে। এ জন্য নতুন করে সংযোগ স্থাপনের কাজ চলছে। তাই এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট। আশা করছি অতিদ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।