কোচিং সেন্টারগুলোকে ‘ছায়া শিক্ষা’ করার দাবি

শনিবার, ২ জুন, ২০১৮ ৬:০৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ
0
108

নিজস্ব প্রতিবেদক

কোচিং সেন্টারকে ‘ছায়া শিক্ষা’ বা সহায়ক শিক্ষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানিয়েছে কোচিং অ্যাসোসিয়েশন সংগঠন। এজন্য একটি রেজুলেশন তৈরির দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার (৩১ মে) শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়ামে কোচিং সেন্টার সংগঠনের আয়োজিত আলোচনা ও ইফতার মহাফিলে এমন দাবি করা হয়। আলোচনায় বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের প্রতিনিধিগণ কোচিং সেন্টারের পক্ষে নানা যুক্তি তুলে ধরেন।
বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের মালিক ও তার প্রতিনিধিরা বলেন, ক্লাসে শিক্ষকরা পরিপূর্ণভাবে পাঠদান না দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের কোচিং সেন্টারের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়। এতে শিক্ষার্থীদের জন্য কোচিং সেন্টারগুলো ছায়া শিক্ষা হিসেবে কাজ করছে। এখানে স্কুল- কলেজের সাধারণ শিক্ষকরা জড়িত নন। এখানকার শিক্ষকরা সবাই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মেধাবী শিক্ষার্থীরা। কোচিং সেন্টারগুলো ওইসব মেধাবীদের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে ক্লাস করার সুযোগ করে দেওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠের মান বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের উদাহরণ তুলে ধরে বক্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে কোচিং সেন্টার রয়েছে। কোথাও কোথাও সহায়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে কোচিং সেন্টার স্বীকৃত।
তাছাড়া বেকারত্ব সমস্যা সমাধানেও কোচিং সেন্টার ভূমিকা রাখছে। ভারত ও চীনে কোচিং সেন্টারের জন্য আলাদা রেজুলেশন রয়েছে। বাংলাদেশেও তেমন রেজুলেশনের দাবি জানান তারা।
সভায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ বলেন, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ক্রটি রয়েছে। এ কারণে শিক্ষার্থী কোচিংমুখী হচ্ছে। সেখানে তারা প্রয়োজনীয় জ্ঞান পাচ্ছে। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর (উত্তর) যুবলীগের সভাপতি মো. মাইনুল হোসেন খাঁন নিখিল, তেজগাঁও কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল রশীদ, মাহমুদুল হাসান সোহাগ, সৈয়দ মাহবুবুল হক পলাশ, আবু রায়হান, পলাশ সরকার, মাহবুব আরেফিন প্রমুখ।