মাদকবিরোধী অভিযানে আরো চারজন নিহত

মঙ্গলবার, ৫ জুন, ২০১৮ ১:৩৯:৪৬ অপরাহ্ণ
0
142

যুগেরকন্ঠ ডেস্ক

মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে তিন জেলায় চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার রংপুর ও বগুড়ায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন দুজন। আর ময়মনসিংহে দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাংলাদেশ জার্নালের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর।

রংপুর: 
জেলার কাউনিয়ায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে শাহজাহান হোসেন দবির ওরফে দবিরুল (৫০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে হারাগাছ পৌর এলাকার ৬ নং ওয়ার্ডের ছোটপুল বানুপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি দেশীয় তৈরি পিস্তল, ১২৬ পিস ইয়াবা, ১৭৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত দবিরুল পৌর এলাকার ৫ নং ওয়ার্ডের চেংটারী গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে।

রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল-এ) সাইফুর রহমান জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা বানুপাড়ায় অবস্থান করছে- এমন সংবাদের পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে মাদক ব্যবসায়ীরা। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে শাহজাহান হোসেন দবির ওরফে দবিরুল মারা যান।

বগুড়া:

বগুড়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ লিটন ওরফে রিগান (৩২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত সোয়া ২টার দিকে শহরতলীর মাটিডালি এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, একদল মাদক বিক্রেতা মাটিডালীর কমার্স কলেজ সংলগ্ন এলাকায় মাদক কেনা বেচা করছে, এমন খবরে ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পালটা গুলি করে। এক পর্যায়ে রিগ্যানকে আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, ঘটনাস্থল থেকে দুটি চাপাতি এবং রিগ্যানের শরীরে তল্লাশি চালিয়ে ২০০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রিগ্যানের বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে।

ময়মনসিংহ: 

ময়মনসিংহে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই যুবকের লাশ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে কেওয়াটখালী রেল সেতুর নিচ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম জানান, নিহতরা মাদক বিক্রেতা ছিলেন। তারা হলেন, মুন্না মিয়া (৩০) ও ইদ্রিস আলী (৪৫)।

ওসি বলেন, নিহতদের মধ্যে মুন্নার নামে ১২টি মাদক মামলা এবং ইদ্রিসের নামে আটটি মাদক মামলা রয়েছে।  তবে তাদের কে বো কারা হত্যা করেছে সে বিষয়ে তথ্য দিতে পারেননি তিনি।