শুভকামনা রইলো১১ মাসে রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি ৬.৬৬%

বুধবার, ৬ জুন, ২০১৮ ২:২৬:৫০ অপরাহ্ণ
0
103

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) বিশ্ববাজারে পণ্য রফতানি বাবদ বাংলাদেশের আয় হয়েছে ৩ হাজার ৩৭২ কোটি ৮৮ লাখ ২০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয়ের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ১৬২ কোটি ২৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার। এ হিসাব অনুযায়ী, ১১ মাস শেষে রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ।রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, চলতি বছর রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার। এর মধ্যে ১১ মাসে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৩৭২ কোটি ৮৮ লাখ ২০ হাজার ডলার।

 

এ হিসাবে লক্ষ্য পূরণে চলতি মাসে রফতানি খাত থেকে আয় হতে হবে ৩৭৭ কোটি ১১ লাখ ৮০ হাজার ডলার।একক মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মে মাসে রফতানি খাতে আয় হয়েছে ৩৩২ কোটি ২৪ লাখ ১০ হাজার ডলার। ২০১৭ সালের মে মাসে এ আয়ের পরিমাণ ছিল ৩০৪ কোটি ৭৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার। এ হিসাবে আয় বেড়েছে ৯ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। মে মাসে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩৮ কোটি ডলার।

এ হিসাবে গত মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ কম আয় হয়েছে।প্রাথমিক ও উৎপাদনমুখী শিল্পÑ এ দুই ভাগে রফতানি আয়ের মোট পরিমাণ প্রকাশ করে ইপিবি। ১১ মাসে উৎপাদনমুখী শিল্পে রফতানি আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। অন্যদিকে প্রাথমিক পণ্যে রফতানি আয় বেড়েছে ৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ।প্রাথমিক পণ্যের মধ্যে রয়েছে হিমায়িত খাদ্য ও মাছ এবং কৃষি। ১১ মাসে হিমায়িত মাছের রফতানি আয় কমেছে ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

আয় হয়েছে ৪৬ কোটি ৫৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ খাতে আয়ের পরিমাণ ছিল ৪৭ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এদিকে চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে কৃষিপণ্য রফতানিতে আয় বেড়েছে ১৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।উৎপাদনমুখী পণ্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্লাস্টিক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, ফার্নিচার ও প্রকৌশল পণ্য। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এ খাতে ওভেন ও নিট পণ্যের আয় বেড়েছে ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এর মধ্যে ওভেন পণ্যের আয় বেড়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। নিট পণ্যের আয় বেড়েছে ১১ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

১১ মাসে প্লাস্টিক খাতে আয় কমেছে ১৭ দশমিক ৮২ শতাংশ। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে আয় কমেছে ১১ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। প্রকৌশল পণ্যে আয় কমেছে ৫০ দশমিক ৪৩ শতাংশ। তবে পাট ও পাটজাত পণ্যে রফতানি আয় ৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রফতানি খাতগুলো এখনো বহুমুখী হয়ে উঠতে পারেনি। মোট রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশের উৎস এখনো তৈরি পোশাক। পণ্যটির রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলেই সামগ্রিক রফতানি খাতে এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে।