খুলনার মোস্তর মোড় কৈয়া বাজার সড়কের পাশে তানিশা আবাসিক প্রকল্প বাশতলা খাল ভরাট করে কালভাট নির্মানঃ প্রায় পাচঁ লক্ষ টাকার সরকারি গাছ কর্তনের অভিযোগ

বৃহস্পতিবার, ৭ জুন, ২০১৮ ৫:১২:৩৬ অপরাহ্ণ
0
508

খুলনা প্রতিনিধিঃ  আজ সকাল ১১টায় তানিশা আবাসিক প্রকল্পের লোকজন সরকারি খাল ভরাট করে কালভাট নির্মাণ ও খাল পাড়ের জমির উপর প্রায় ৫ লক্ষ্য টাকার গাছ কর্তন । আর এই গাছ কর্তনের মূল হোতা তানিশা আবাসিক প্রকল্পের পরিচালক ভুমিদস্যু মোঃ শফিকুর রহমান। আর এই বাসতলা খাল ভরাটের কারনেই একটু বৃষ্টি হলেই মহানগীরতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি । শুধু তানিশা আবাসিক প্রকল্পই নয় মোস্তর মোড় কৈয়া বাজার সড়কের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বাশতলা খাল ওই এলাকার ভূমিদস্যুরা দখল করে প্রল্টের ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছেন যেন দেখার কেহ নেই । প্রায় ৬২ ফুট চওরা বাসতলা খাল ভরাটের কারনে কিছু কিছু যায়গায় খালের অস্থিত নেই । আর যেটুকু আছে বাসতলা খাল তাও দেখতে মনে হয় খালতো নয় যেন ড্রেন ।

জানা গেছে আড়ংঘাটা থানা ধীন মোস্তর মোড় কৈয়া বাজার সড়কের পাশে চক হাসান কালি মৌজায় ঐ এলাকার চিহ্নিত ভুমি শফিকুর রহমান তানিশা আবাসিক প্রকল্প নামে একটি আবাসিক প্রকল্প গড়ে তোলেন। এতে দেখা যায় এই প্রকল্পে রাস্তার পাশের জমিতে বালু ভরাট করে বিশ ফুটের একটি ইটের সোলিং রাস্তা করে। এই রাস্তাটি তার প্রকল্পের জমিতে যাওয়ার জন্য তিনি বাশতলা খাল ভরাট করে বিশ ফুটের একটি কালভার্ট নির্মাণ করেন। শুধু তাই নয় তার এই আবাসিক প্রকল্পের জমি বিক্রয়ের জন্য খালের পার এলাকায় খালের পারে সরকারি জমির গাছসরকারী কোন সংস্থার অনুমতি ছাড়াই বিক্রির উদ্দেশ্যে গাছ কেটে ফেলেন শফিকুর রহমান। এ বিষয়ে গাছ কর্তনকারি শ্রমিক আনোয়ারের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান আমি দৈনিক হাজিরায় কাজ করি। আমাকে শফিকের ম্যানেজার মিরাজ খাল পারের সমস্ত গাছ কৈয়া বাজারের কাঠ ব্যবসায়ী আবু বকরের কাছে আনুমানিক ৫ লাখ টাকার গাছ বিক্রি করে শফিকুর রহমান ও মিরাজ। গাছ ক্রয় কারি আবু বক্কর আজ সকালে তার শ্রমিকদের নিয়ে গাছগুলো কর্তন করা শুরু করে। বেশ কিছু গাছ কর্তন করার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসলে তারা আইন শৃংখলা বাহীনীকে খবর দেয়। এবং পরে তারা অবস্থা খারাপ দেখে শটকে পরে।
অপরদিকে বাসতলা খালের উপর দিয়ে মোস্তর মোড় কৈয়া বাজার সড়কের কালভার্টের নিচে খালের পার কেটে বালু দিয়ে সমান করে দিয়েছে সাইদুল মুন্সি গং । এরা সিন্ডেকেটের মাধ্যমে বাসতলা খালের অস্তিত মুছে দিয়েছে । শুধু শফিক,সাইদুল মুন্সিই নয় বাসতলা খাল পাড়ের সকল ভুমি মালিকরাই নিজ নিজ জমির প্রান্তে খালের জমি ভরাট করে বিক্রি করছে দেদারছে । রায়েয়মহল ও আশপাশের জলাবদ্ধতা দুর করতে ভুমিদস্যুদের কবল থেকে বাসতলা খাল দখলমুক্ত করে পূর্বের ন্যায় পানি প্রবাহের জন্য অবিলন্বে কেসিসি’র নব-নির্বাচিত মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের হস্থক্ষেপ কামনা করছেন সংশ্লিষ্ঠ এলাকায় বসবাসকারীরা। এ বিষয় কথা হয় পরিবেশ নিয়ে কাজ করা বে-সরকারী সংগঠন দীপ্ত আলোর প্রধান নির্বাহী হাসানুর রহমানের সাথে, তিনি বলেন,বাসতলা খাল হচ্ছে শিল্পাঞ্চলের বৃষ্টির পানি প্রবাহের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ । অথচ কিছু চিহৃিত ভুমিদস্যু ও মাদক ব্যাবসার পৃষ্ঠপোষকের কারনে বাসতলা খাল আজ তার অতিত হারিয়েছে । আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বাসতলা খাল ভরাটে সাথে সংশ্লিষ্ঠদের একটি খসরা তালিকা করেছি । খুব শিগ্রই বাসতলা খালসহ অন্যান্ন খাল দখলমুক্ত করার জন্য পিটিশন দাখিল করা হবে এবং নগরীর জলাবদ্ধতা দুরকরনে কেসিসি’র নব-নির্বাচিত মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের হস্থক্ষেপ চেয়ে গন-স্বাক্ষর জমা দেয়া হবে বলে তিনি জানান ।