শেখ হাসিনাতেই বিশ্ব ব্যাংকের পূর্ণ আস্থা

রবিবার, ১ জুলাই, ২০১৮ ১:১১:৩২ অপরাহ্ণ
0
81

অনলাইন ডেস্ক:

রোহিঙ্গা সঙ্কটে ভূমিকার জন্য বাংলাদেশের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। একই সঙ্গে সরকারের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী মুহিতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেদিকে অগ্রসর হচ্ছে, তার প্রতি বিশ্ব ব্যাংকের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
রোববার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বৈঠক করার পর এক যৌথ ব্রিফিংয়ে জিম ইয়ং কিম এ কথা বলেন।
বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বলেন, এ বছর আমরা বাংলাদেশকে রেকর্ড ৩ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছি, যা বিশ্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বড়। আর এটা হচ্ছে আমাদের আস্থার স্পষ্ট ইংগিত।
রোহিঙ্গা সঙ্কটের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা জানি, আমাদের আরও অনেক কিছু করতে হবে, আরও অনেক কাজ বাকি। তাদের জন্য আরও অনেক কিছু করা দরকার। আর সে কারণেই আমরা এখানে এসেছি।
কিম বলেন, তিনি এবং জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা সোমবার কক্সবাজারে গিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন।
বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব ও আমি এখানে এসেছি বাংলাদেশের মানুষ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে। কারণ তারা এত বিপুল সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছেন। আর এটা তারা করেছেন খুবই মানবিক উপায়ে।
রোহিঙ্গাদের জন্য বিশ্ব ব্যাংক সম্প্রতি ৪৮ কোটি ডলার সহায়তার যে ঘোষণা দিয়েছে, সে কথাও বলেন আন্তর্জাতিক এ ঋণদাতা সংস্থার প্রেসিডেন্ট।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এবং প্রধানমন্ত্রী যে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, সেজন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যাতে সহায়তার টাকাটা অনুদানের আকারেই আসে। কারণ যেসব দেশ মানবিক কারণে শরণার্থীদের সহায়তায় এগিয়ে আসে, তাদের ভোগান্তির মুখে ফেলা উচিৎ নয়।
রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম দুই দিনের সফরে শনিবার ঢাকায় পৌঁছান। বাংলাদেশের সফরে আসায় জিম ইয়ং কিমকে ধন্যবাদ জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
তিনি বলেন, পরিস্থিতিতি এখন কঠিন কারণ বাংলাদেশকে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার ভার বহন করতে হচ্ছে।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে গতবছর নতুন করে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে এসেছে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা। এর আগে গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে পালিয়ে আসা আরো চার লাখের মতো রোহিঙ্গা।