পাকিস্তানে আত্মঘাতী হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০

বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১৮ ১০:৫৩:১৭ পূর্বাহ্ণ
0
98
A police officer in plain clothes collects evidence from the site after a suicide attack during an election campaign meeting in Peshawar, Pakistan July 10, 2018. REUTERS/Fayaz Aziz
অনলাইন ডেস্ক:

পাকিস্তানের পেশোয়ার শহরে এক নির্বাচনী সমাবেশে মঙ্গলবারের আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০য়ে দাঁড়িয়েছে। হামলায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রার্থী হারুন বিলোর। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে আরো ৬৫ জন।

পেশোয়ারের লেডি রিডিং হাসপাতাল সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

হাসপাতালের মুখপাত্র জুলফিকার আলী বাবাখেল রয়টার্সকে জানান, গত রাতের (মঙ্গলবার) আত্মঘাতী হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০য়ে দাঁড়িয়েছে। এখনও আমাদের হাসপাতালে ভর্তি আছেন আহত ৬৫ জন।

এদিকে ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানি তালেবান গোষ্ঠী। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পেশোয়ার রাজ্যে লড়াই চালিয়ে এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি।  জঙ্গি ও সন্তাসবাদের বিরোধিতা করায় বিভিন্ন সময়ে এই গোষ্ঠীর হামলার শিকার হয়েছে আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টি (এএনপি) নেতা-কর্মীরা। ২০১৩ সালের নির্বাচনের সময়ও এএনপি’কে লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছিল ওই গোষ্ঠীটি।

মঙ্গলবার ওই সমাবেশের আয়োজন করেছিল আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টি (এএনপি)। সেখানে জড়ো হওয়া ২ শতাধিক নেতা সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার কথা ছিল দলের জনপ্রিয় নেতা ও আসন্ন নির্বাচনের প্রার্থী হারুন বিলোরের। কিন্তু তিনি সভাস্থলে পা রাখার আগেই বোমাটি বিস্ফোরিত হয় বলে জানিয়েছেন পেশোয়ারের পুলিশ প্রধান শাফকাত মালিক।

পাকিস্তানে আগামী ২৫ জুলায় যে পার্লামেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে তাতে পেশোয়ার থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন হারুন বিলোর। তার বাবা বশির বিলোর যিনি এএনপি’র একজন প্রখ্যাত নেতা ছিলেন, তিনিও ২০১২’তে এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন।

আল জাজিরার সংবাদদাতা ইসলামাবাদ থেকে জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের সমাবেশে বক্তব্য রাখার জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছিলেন হারুন বিলোর। কিন্তু তিনি গাড়ি থেকে নামার সময় সমাবেশে আগত সমর্থকদের সঙ্গে মিশে থাকা এক আত্মঘাতী হামলাকারী বোমাটিতে বিস্ফোরণ ঘটনায়। তিনি আরও বলছেন, নিহত নেতার খুব কাছ থেকেই হামলাটি চালানো হয়েছিল।

এদিকে মঙ্গলবারের এই হামলা পাকিস্তানের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রচারণাতেও প্রভাব ফেললে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স