অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে ভারতসহ বন্ধু রাষ্ট্রগুলো একমত : মওদুদ

শনিবার, ১৪ জুলাই, ২০১৮ ১২:০৫:৩৫ অপরাহ্ণ
0
87
 নিজস্ব প্রতিবেদক:
 

জাতীয় নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দলের উপস্থিতিতে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে ভারতসহ বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো একমত হয়েছে। বিএনপি ছাড়া এই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া আদর্শ একাডেমি আয়োজিত খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তার সুচিকিৎসার দাবিতে প্রতিবাদ সভায় তিনি এমন কথা বলেন।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের পরামর্শ দিলেও বর্তমান স্বৈরাচারী সরকার বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে আটকে রেখেছে। তারা আবারও ক্ষমতায় বসতে নীলনকশা তৈরি করে ফেলেছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া বিএনপি ক্ষমতায় আসবে না- এমন মন্তব্য করে মওদুদ বলেন, নির্বাচনের আর মাত্র আড়াই মাস সময় রয়েছে। তার আগেই বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্তি দিতে হবে, বিচারবিভাগ ও আইন বিভাগের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে হবে এবং বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনকে পরিবর্তন করে নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দিতে হবে। তবেই বিএনপি আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রেখে বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকার যতই ষড়যন্ত্রের নীলনকশা তৈরি করুক আমরা তা সফল হতে দেব না। আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে বর্তমান স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারকে দমন করতে হবে।

মওদুদ বলেন, আমাদেরকে গভীরভাবে চিন্তা করে দেখতে হবে যে খালেদা জিয়াকে জেলখানায় রেখে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবো কি পারবো না। সরকারকে আমাদের শর্তগুলো মানতে হবে। সরকারকে বাধ্য করা হবে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে নির্দলীয় ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে। তাহলে এই বাংলাদেশে আবার সুষ্ঠু গনতন্ত্র ফিরে আসবে।

কোটা আন্দোলনের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দিয়ে বললেন যে কোটা থাকবে না। আবার ২৭ জুন বললেন কোটা থাকবে। আমি শুধু এইটুকু বলতে চাই গ্রেফতার বন্ধ করুন। যাদেরকে গ্রেফতার করেছেন তাদের মুক্তি দিন। এই শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করুন। যদি না করেন তাদের যে আন্দোলন দেখেছেন এর চেয়ে বৃহত্তর আন্দোলন এই শিক্ষার্থীরা করবে এবং দেশের জনগণ তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকবে না। তারা তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে একই সঙ্গে দাবি আদায় করবে।