সিলেটকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হবে : ইসি

শনিবার, ১৪ জুলাই, ২০১৮ ১১:৪১:২৩ পূর্বাহ্ণ
0
94
সিলেট প্রতিনিধি:

সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেটের রিকাবিবাজারস্থ কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে সব মেয়র-কাউন্সিলর প্রার্থীদের নিয়ে বসেছিলেন নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম।

শনিবার সকালে নির্বাচন কমিশন আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে সিলেটকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হবে।  নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর রাখার লক্ষ্যে অস্ত্র ও অস্ত্র ছাড়া আনসার বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এছাড়া র‍্যাব-পুলিশ-বিজিবি প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি মোতায়েন করা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, আসন্ন সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পুলিশ প্রশাসন অযথা কোনো হয়রানি করবে না। কোন কর্মকর্তা অযথা হয়রানি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রফিকুল ইসলাম বলেন, সিলেটের সার্বিক নির্বাচন পরিস্থিতি অত্যন্ত ভালো। এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে। এজন্য নির্বাচন কমিশন, জেলা ও পুলিশ প্রশাসন একযোগে কাজ করছে। তারপরও প্রার্থীরা যে অভিযোগ-অনুযোগ জানাচ্ছেন, তার একটিও থাকবে না, যদি প্রত্যেক প্রার্থী প্রতিটি কেন্দ্রে এজেন্ট নিয়োগ দেন। প্রার্থীর এজেন্টরা যদি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তবে আমি ১০০ ভাগ গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি সিলেটে সম্পূর্ণ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার নাজমানারা খানুম, বাংলাদেশ পুলিশের সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি কামরুল আহসান, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার গোলাম কিবরিয়া ও সিলেটের জেলা প্রশাসক নুমেরী জামান।

মতবিনিময় সভায় প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী, আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, নাগরিক কমিটি মনোনীত বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মহানগর জামায়াতের আমির এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন, সিপিবি-বাসদ মনোনীত প্রার্থী আবু জাফর ও হরিণ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এহসানুল হক তাহের।

সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত আসনে নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালিক, রেজওয়ান আহমদ, সৈয়দ তৌফিকুল হাদি, নিলুফার সুলতানা চৌধুরী লিপি, পারুল মজুমদার, মখলিছুর রহমান কামরান, শামীমা স্বাধীন, শেখ তোফায়েল আহমদ সেপুল, ইব্রাহিম খান সাদেক, সেলিম আহমদ রনি, এমদাদ হোসেন চৌধুরী, লায়েক আহমদ চৌধুরী, রাজিক মিয়া ও আফতাব হোসেন খান।

উল্লেখ্য, তিন সিটির মতো সিলেটেও মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল সোমবার (৯ জুলাই)।  এরপর মঙ্গলবার (১০ জুলাই) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের প্রতিক বরাদ্দ দেয় নির্বাচন কমিশন।  সবশেষে ঘোষিত তফসীল অনুযায়ী আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন।