প্রচ্ছদ

দুদিনের মধ্যে গেজেট, এরপর এইচএসসির ফল

২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১২:৪৭

যুগের কন্ঠ ২৪ ডট কম
ফাইল ছবি
::নিজস্ব প্রতিবেদক::

পরীক্ষা ছাড়া এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের জন্য সংসদে আইন সংশোধনের প্রস্তাব পাস হওয়ায় এখন আগামী দুই দিনের মধ্যে গেজেট জারি হবে, এরপরই ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি।

রোববার জাতীয় সংসদে আইন সংশোধনের তিনটি বিল পাসের প্রক্রিয়া মধ্যে এ খবর জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী সংসদে বলেন, আমাদের প্রস্তুতি নেয়া আছে। আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে ফলাফল তৈরি করে বিল তিনটি অর্ডিন্যান্স আকারে পাস করে সাথে সাথে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু যেহেতু ১৮ জানুয়ারি সংসদ বসছে তার কারণে অর্ডিন্যান্স আকারে পাস না করে বিল আকারে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

এবার অষ্টম শ্রেণির সমাপনী এবং এসএসসির ফলাফলের গড় করে ২০২০ সালের এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে। জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষিত হবে।

পরীক্ষা ছাড়া ফল প্রকাশ সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একেবারে চিন্তাভাবনা ছাড়া এভাবে ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে তা ভাববার সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষাবিদ, কোভিড-১৯ জাতীয় পরামর্শক কমিটি সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মহামারীর মধ্যে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সংক্রমণের আশঙ্কা থেকে দূরে রাখতে পেরেছি।

অন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও কওমি মাদ্রাসা আগে খোলার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কওমি মাদ্রাসার অধিকাংশ শিক্ষার্থী এতিম ও দুস্থ। তাদের বেশিরভাগই আবাসিক। সেখানে তারা থাকার সুযোগ না পেলে তাদের জীবন দুঃসহ অবস্থায় পড়বে।

‘তাই সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে অনেকগুলো শর্তসাপেক্ষে এটা খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এখানেও মানবিকতা, স্বাস্থ্য সবকিছু বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।’

এদিন সংসদে ‘ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল- ২০২১’, ‘বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) বিল-২০২১’ এবং ‘বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) বিল-২০২১ বিল’ কণ্ঠভোটে পাস হয়।

প্রসঙ্গত, ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে সরকার এ পরীক্ষা বাতিল করে।

Shares