প্রচ্ছদ

ইউল্যাবের সেই ছাত্রীর দুই বন্ধু রিমান্ডে

০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:১২

যুগের কন্ঠ ২৪ ডট কম
ছবি প্রতীকী
::নিজস্ব প্রতিবেদক::

রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় তার দুই বন্ধুর পাঁচদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

তারা হলেন- মুর্তুজা রায়হান চৌধুরী (২১) ও নুহাত আলম তাফসীর (২১)। ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভুঁইয়া এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) মহানগর আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সহকারী পুলিশের এএসআই ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রোববার তাদের দুইজনকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে বিচারক প্রত্যেকের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে রোববার (৩১ জানুয়ারি) মামলাটির এজাহার গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।

এর আগে রোববার (৩১ জানুয়ারি) চারজনকে আসামি করে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন নিহত তরুণীর বাবা। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো একজনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় মর্তুজা রায়হান ওই তরুণীকে নিয়ে মিরপুর থেকে আসামি আরাফাতের বাসায় যান। আরাফাতের বাসায় স্কুটার রেখে আরাফাত, ওই তরুণী ও রায়হান একসঙ্গে উবারে করে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে আগে থেকেই আরেক আসামি নেহা এবং একজন সহপাঠী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আসামিরা ওই তরুণীকে জোর করে ‘অধিক মাত্রায়’ মদপান করান।

মামলার এজহারে আরো বলা হয়, মদ্যপানের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী তরুণী অসুস্থ বোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্মদপুরে তার এক বান্ধবীর বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে নুহাতের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তরুণীকে একটি রুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন রায়হান। এ সময় রায়হানের বন্ধুরাও রুমে ছিল।

ধর্ষণের পর রাতে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসিম খানকে ফোন দেন। সেই বন্ধু পরদিন এসে তরুণীকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুইদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর রোববার তরুণী মারা যান।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মৃত্যুঞ্জয় দে সজল জানান, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।

তিনি বলেন, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দুজন আসামিকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। আরেকজন আসামি আরাফাত, সে মারা গেছে।

Shares