প্রচ্ছদ

ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের পাল্টা কমিটি: কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চায় সাবেক শীর্ষ নেতারা

০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:৫২

যুগের কন্ঠ ২৪ ডট কম

 

::নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি::

১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠন করেন। বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর ছাত্র সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন জিয়াউর রহমান। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৯ সালের ১লা জানুয়ারী শিক্ষা, ঐক্য, প্রগতি স্লোগানে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

কাজী আসাদুজ্জামানকে আহ্বায়ক করে গঠিত হওয়া সেই কমিটির, আজ নেতৃত্ব দিচ্ছেন ফজলুর রহমান খোকন (সভাপতি) ও ইকবাল হোসেন শ্যামল (সাধারণ সম্পাদক)। তাদের মাধ্যমেই দেশের বিভিন্ন ইউনিটে করা হচ্ছে ছাত্রদলের কমিটি।

সেই কেন্দ্রিয় নেতাদের অনুমতিতে গঠিত হওয়া ফতুল্লা থানা কমিটিকে বর্জন করে পাল্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে করে নারায়ণগঞ্জ ছাত্রদলে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

ছাত্রদলের বর্তমান ও সাবেক নেতারা বলছেন, ‘সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তারা বর্জন করে নতুন কমিটি গঠন করার ফলে দলের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাহীনতা তৈরি হবে। দ্রুতই কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা প্রয়োজন’।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বড় সংগঠনে ঝামেলা হয়। আরও সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধানের মাধ্যমেই কমিটিগুলো করা উচিত। তথ্য ফরম কেউ যদি ভুল দেয় তা দেখার দায়িত্ব জেলা ছাত্রদলের, এখানে কেন্দ্রের আসার টাফ। জেলা ছাত্রদলের দায়, এটা নিয়ে বসে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো’।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের আরেক জনপ্রিয় সাবেক নেতা ও বর্তমানে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মাসুকুল ইসলাম রাজীব বলেন, ‘নিজেরা ইচ্ছে করলেই কেউ কমিটি করতে পারে না। সাংগঠনিকভাবে যে কমিটি গঠন করা হয়েছিল, সেটা ঠিক আছে।

এখন যে কমিটি করা হয়েছে সেটা করার তাদের এখতিয়ার নেই। এতে করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে এবং আস্থাহীনতা তৈরি হবে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের এবং বিভাগীয় দায়িত্বে যারা আছেন তাদের এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত’।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মশিউর রহমান রনি বলেন, ‘কোন কমিটি করতে হলে তারেক রহমানের কাছে জানিয়েই করতে হয়। তাকে কনফর্ম করেই আমাদের বাদ দিতে হয়, যুক্ত করতে হয়। ফতুল্লা থানায় পাল্টা যে কমিটি করা হয়েছে ওইখানে যারা আছে তারা আওয়ামী লীগের এজেন্ট। তারা মাদক, ডিস ব্যবসা, ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত।

হয়তো দুই, একটা ক্লিন ইমেজ আছে। কিন্তু আমরা চাইলেই তাদের কমিটিতে যুক্ত করতে পারবো না, যারা থানায় বাদ পরবে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড তাদের জন্য রয়েছে। এই কমিটি শুধুমাত্র ব্যক্তি রনিকে প্রতিহত করার জন্যই।

Shares