প্রচ্ছদ

ব্যক্তি নয়, কমিশনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা

০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:৩১

যুগের কন্ঠ ২৪ ডট কম
নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম। ফাইল ছবি
::যুগের কন্ঠ ডেস্ক::

ব্যক্তি নয়, নির্বাচন কমিশন অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করতেই বিশিষ্ট নাগরিকেরা রাষ্ট্রপতির কাছে নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম।

নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ এনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করে অভিযোগ তদন্তের দাবি জানিয়ে সম্প্রতি রাষ্ট্রপতিকে ৪২ জন নাগরিকের দুই দফা চিঠি দেয়া প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনারদের নয়, প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করতে কেউ কেউ বিভিন্ন অভিযোগ করছেন। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে যারা আছেন, তারা প্রত্যেকে ৩০-৩১ বছর চাকরি করেছেন। চাকরি জীবনে তারা যেভাবে স্বচ্ছ ছিলেন, এখনো আছেন। যারা সারা জীবন স্বচ্ছ থেকেছেন, তারা মাত্র পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব নিয়ে নিশ্চয় নিজেদের বিতর্কিত করবেন না। তিনি আরো বলেন, যেহেতু রাষ্ট্রপতির কাছে অভিযোগ করা হয়েছে, তাই এ বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। প্রশিক্ষণ যখন থেকে চলছে, তখন থেকেই সম্মানী দেওয়া হচ্ছে। এটা কমিশন থেকে অনুমোদিত।

প্রশিক্ষণ ভাতা নিয়ে অডিট আপত্তির বিষয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, অডিট আপত্তি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই আসতে পারে। এটা দুর্নীতি নয়। যে খাতে টাকা খরচ হয়েছে, তা সঠিকভাবে খরচ করা হয়েছে কি না, তা দেখার জন্য অডিট হয়ে থাকে।

স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে কবিতা খানম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কিছু কিছু সহিংসতা হচ্ছে। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সচেষ্ট রয়েছে। তবে আগের তুলনায় সহিংসতা কম। নির্বাচনের পরিস্থিতি যাতে ব্যাহত না হয়, তার সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রার্থীরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে নির্বাচনের পরিবেশ ভালো থাকবে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন প্রতিটি অভিযোগ তদন্ত করেছে। কিছু কিছু বিষয় থাকে ইসির এখতিয়ারের বাইরে, সেগুলো সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গত ৩০ জানুয়ারি পৌরসভা নির্বাচনে যেখানে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে, সে কেন্দ্রগুলোতে ভোট স্থগিত করা হয়েছে।

গোপন কক্ষে ভোটারের সঙ্গে অন্য ব্যক্তি ঢুকে কীভাবে ভোট দিচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে কবিতা খানম বলেন, কেন্দ্র এবং বুথ প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের দায়িত্বে থাকে। যদি প্রিসাইডিং কর্মকর্তার নামে কোনো অভিযোগ আসে, তাহলে তিনি আইনের আওতায় থাকবেন।

একজন কমিশনার বলেছেন, ‘নির্বাচনে অনিয়ম হয়েছে’এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি কবিতা খানম।

Shares