প্রচ্ছদ

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চায় না সিঙ্গাপুর

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:১৯

যুগের কন্ঠ ২৪ ডট কম
সেনাশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
::আন্তর্জাতিক ডেস্ক::

মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান। তবে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, অভ্যুত্থানের প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমারে বিস্তৃত পরিসরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে না তার দেশ। বালাকৃষ্ণান মনে করেন, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার কারণে সাধারণ মানুষকে ক্ষতির সন্মুখীন হতে হয়। রয়টার্স।

গত ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে জান্তা সরকার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিয়ানমারে ব্যাপক বিক্ষোভ হচ্ছে। রাজপথে নেমে আসছে হাজার হাজার মানুষ। বিক্ষোভ দমনে পুলিশও কঠোর হয়ে উঠতে শুরু করেছে। সেনা অভ্যুত্থানের দিনেই নির্বাচিত নেত্রী অং সান সু চিসহ উর্ধ্বতন নেতাদের গ্রেফতারের পর বহু বিক্ষোভকারীকেও আটক করা হচ্ছে। ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় মোতায়েন রয়েছে সেনাবাহিনী ও সাঁজোয়া যান। তবে তাতেও দমানো যাচ্ছে না বিক্ষোভ।

মিয়ানমারে বড় বিনিয়োগকারী দেশগুলোর একটি সিঙ্গাপুর। মঙ্গলবার পার্লামেন্টে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, মিয়ানমারে বিক্ষোভে সহিংসতা, সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড়, ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া এবং বিভিন্ন শহরের সড়কে সেনাবাহিনী ও সাঁজোয়া যান মোতায়েনের ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, ‘এগুলো খুব উদ্বেগজনক ঘটনা। সর্বোচ্চ সংযম বজায় রাখার জন্য আমরা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা আশা করি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে তারা ব্যবস্থা নেবেন। নিরস্ত্র নাগরিকদের বিরুদ্ধে কোনও সহিংসতা হওয়া উচিত নয়। আমাদের আশা, তারা শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ এরইমধ্যে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কিংবা আরোপের হুমকি দিয়েছে রেখেছে। তবে সে পথে হাঁটতে রাজি নয় সিঙ্গাপুর। বালাকৃষ্ণান বলেন, ‘নির্বিচারে ও বিস্তৃত আকারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করাটা ঠিক হবে না, কারণ এতে মিয়ানমারের সাধারণ জনগণই সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হবে।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ক্ষমতাচ্যুত নেতা অং সান সু চি ও প্রেসিডেন্ট উয়িন মিন্তসহ সকল বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে; যেন তারা মুক্ত হয়ে ক্ষমতাসীন সেনা পরিষদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে পারেন।

Shares