প্রচ্ছদ

সাহসী অবদানের জন্যই জিয়াকে খেতাব দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:৪৩

যুগের কন্ঠ ২৪ ডট কম
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ‘করোনাকালে বাংলাদেশ’ নামে গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান।
::নিজস্ব প্রতিবেদক::

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকার হঠাৎ জিয়াউর রহমানকে দেয়া মুক্তিযুদ্ধের সম্মানসূচক পদবি অপসারণের চেষ্টা করছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে সাহসী অবদান ও কৃতিত্বের জন্য জিয়াউর রহমানকে এই পদবি দিয়েছিলেন। অথচ জিয়াউর রহমানকে দেয়া সেই পদবি অপসারণের চেষ্টা করে সরকার বঙ্গবন্ধুকেই অপমান আর অসম্মান করছে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে দি ইউনিভার্সেল একাডেমির উদ্যোগে এক প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ‘করোনাকালে বাংলাদেশ’ নামে নতুন এক গ্রন্থের প্রকাশনা উপলক্ষে’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জাফরুল্লাহ বলেন, আলজাজিরায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধের সম্মানসূচক উপাধি অপসারণের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড পাগলামির নামান্তর বলে আমি মনে করি।

‘একদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ানো হচ্ছে, অন্যদিকে একজন মুক্তিযোদ্ধার খেতাব কেড়ে নেয়া হচ্ছে, এটি সরকারের পরস্পরবিরোধী আচরণের বর্হিপ্রকাশ।’

তিনি আরো বলেন, পুরনো একটি আইনের ৪০১ ধারার ব্যবহার করে সেনাপ্রধানের দুই ভাইকে অবমুক্তি দেয়া হয়েছে। যাদের সাজা হওয়ার পূর্বেই এমন ঘটনা ঘটেছে। ব্রিটিশ থেকে এ পর্যন্ত আমাদের দেশের ইতিহাসে এমন ঘটনা বিরল।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল বলেন, করোনা মোকাবেলায় সরকারের অনেক অব্যবস্থাপনা, অদক্ষতা ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিলো। আর অব্যবস্থা ও অদক্ষতা না হয় মেনে নেয়া যায়। কিন্তু দুর্নীতি মেনে নেয়া খুবই কষ্টকর। কারণ মানুষের দুর্ভোগকেও পুঁজি করে দুর্নীতি করা হয়েছে। তারপরও করোনার টিকা নিয়ে এখন পর্যন্ত সরকার সফলতার পরিচয় দিয়েছে। সরকারের ভালো কাজে অবশ্যই আমরা প্রশংসা করি। কিন্তু এটা যেনো প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষগুলো পায়, সেই চেষ্টাও যেনো করা হয়।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী, বিএসএমএমইউ’র সাবেক উপাচার্য ডা. নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Shares