ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কোটা বিরোধী আন্দোলনে বরিশালে ‘বাংলা ব্লকেড’

ববি প্রতিনিধি 
  • আপডেট : ০৬:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪
  • / 31
বরিশালে দুই ধাপে ‘বাংলা ব্লকেড’ করে রেখেছে কোটা বিরোধী আন্দেলনকারী শিক্ষার্ধীরা।সকাল ১১টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত বরিশালের নতুল্লাবাদ ঢাকা-বরিশাল মহসড়ক অবরোধ করে রাখে ব্রজমোহন কলেজ ও অন্যান্য কলেজের শিক্ষার্থীরা।এদিকে দ্বিতীয়ধাপে বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ব্লকেড ও পরে প্রতিবাদী মশাল মিছিল বের করবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবারে (৯ জুলাই) ব্রজমোহন কলেজ ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দুই ধাপে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখা হয়।এসময় একদফা দাবিতে মৈষম্যমূলক সকল কোটা বাতিল প্রস্তাব রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় তাঁরা।
ব্রজমোহন কলেজের (বিএম) হুজাইফা রহমান জানান, আমাদের যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করছি।সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা সংস্কার/বাতিল চাই। সারা বাংলার শিক্ষার্থীরা একযোগে এ দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে।
আন্দোলনের সমন্বয়ক সুজয় শুভ জানান,সারাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটাই দাবি বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করার।বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।যেখানে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেলা ৩ টায় বিক্ষোভ মিছিল করে রাস্তা অবরোধ করে রাখেন।
আন্দোলন সফল করতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে। যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন। এর আগে পাঠদান ও পরীক্ষা বর্জনের ডাক দেন একাধিক বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্ধ।
দর্শন বিভাগের নিবেদিকা দাস জানান, বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে আমরা সবসময় আন্দোলন করছি।এই কোটা ব্যবস্থার কারণে প্রত্যেক বছর দেশ ছাড়ছে হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থী। আমরা দ্রুত এই কোটা পদ্ধতির সংস্কার চাই।
এদিকে সড়ক অবরোধে সকল যানবাহন আটকে পড়ে যায়।ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ জনগণ।পটুয়াখালী থাকা আসা এক যাত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক।কিন্তু বেশি সময় ধরে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখলে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।অনেকে অসুস্থ হয়ে যায়।দ্রুত সময়ের মধ্যে এই আন্দোলনের একটা সমাধান দরকার।যাতে সাধারণ জনগণের ভোগান্তি কমে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মোঃ জাহিদুল ইসলাম,আইন বিভাগের শহিদুল ইসলাম ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের রিফাত।বিএম কলেজের মধ্য থেকে বক্তব্য আন্নান উদ্দিন,মোস্তাফিজুর রহমান,এস এম হাসান প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কোটা বিরোধী আন্দোলনে বরিশালে ‘বাংলা ব্লকেড’

আপডেট : ০৬:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪
বরিশালে দুই ধাপে ‘বাংলা ব্লকেড’ করে রেখেছে কোটা বিরোধী আন্দেলনকারী শিক্ষার্ধীরা।সকাল ১১টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত বরিশালের নতুল্লাবাদ ঢাকা-বরিশাল মহসড়ক অবরোধ করে রাখে ব্রজমোহন কলেজ ও অন্যান্য কলেজের শিক্ষার্থীরা।এদিকে দ্বিতীয়ধাপে বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ব্লকেড ও পরে প্রতিবাদী মশাল মিছিল বের করবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবারে (৯ জুলাই) ব্রজমোহন কলেজ ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দুই ধাপে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখা হয়।এসময় একদফা দাবিতে মৈষম্যমূলক সকল কোটা বাতিল প্রস্তাব রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় তাঁরা।
ব্রজমোহন কলেজের (বিএম) হুজাইফা রহমান জানান, আমাদের যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করছি।সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা সংস্কার/বাতিল চাই। সারা বাংলার শিক্ষার্থীরা একযোগে এ দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে।
আন্দোলনের সমন্বয়ক সুজয় শুভ জানান,সারাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটাই দাবি বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করার।বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।যেখানে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেলা ৩ টায় বিক্ষোভ মিছিল করে রাস্তা অবরোধ করে রাখেন।
আন্দোলন সফল করতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে। যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন। এর আগে পাঠদান ও পরীক্ষা বর্জনের ডাক দেন একাধিক বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্ধ।
দর্শন বিভাগের নিবেদিকা দাস জানান, বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে আমরা সবসময় আন্দোলন করছি।এই কোটা ব্যবস্থার কারণে প্রত্যেক বছর দেশ ছাড়ছে হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থী। আমরা দ্রুত এই কোটা পদ্ধতির সংস্কার চাই।
এদিকে সড়ক অবরোধে সকল যানবাহন আটকে পড়ে যায়।ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ জনগণ।পটুয়াখালী থাকা আসা এক যাত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক।কিন্তু বেশি সময় ধরে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখলে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।অনেকে অসুস্থ হয়ে যায়।দ্রুত সময়ের মধ্যে এই আন্দোলনের একটা সমাধান দরকার।যাতে সাধারণ জনগণের ভোগান্তি কমে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মোঃ জাহিদুল ইসলাম,আইন বিভাগের শহিদুল ইসলাম ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের রিফাত।বিএম কলেজের মধ্য থেকে বক্তব্য আন্নান উদ্দিন,মোস্তাফিজুর রহমান,এস এম হাসান প্রমুখ।