গোপালগঞ্জে শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেয়া শুরু

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি;
  • প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর ২০২১, ১২:০৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২ সপ্তাহ আগে

ছবি সংগৃহীত

গোপালগঞ্জে শিক্ষার্থীদের করোনা থেকে ঝুঁকিমুক্ত করতে টিকাদান কার্যক্রম শুর হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ৮৫০ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে করোনার টিকা দেয়া হচ্ছে।

রোববার সকাল ৯টার দিকে সিভিল সার্জন ও জেলা শিক্ষা অফিসের তত্ত্বাবধানে জেলা শহরের শেখ হাসিনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ।

জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের তালিকা করে ৮৫০ জন শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেয়া হচ্ছে। গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের দু’জন নার্স এই টিকা প্রদান করছেন। করোনার প্রকোপ কমে যাওয়ায় দীর্ঘদিন পর স্কুল-কলেজ খোল হলেও করোনা থেকে ঝুঁকিমুক্ত ছিল না শিক্ষার্থীরা। ফলে দীর্ঘ সময় পর হলেও টিকা নিতে পারায় খুশি শিক্ষার্থীরা।

টিকা নিতে আসা এইচএসসি পরীক্ষার্থী হাসিবা রহমান, সাকিনা তাসফি, পূঁজা মন্ডল ও ফাতেমা আক্তার বিনা জানিয়েছে, দীর্ঘদিন পর স্কুল ও কলেজ খোলায় আমরা ক্লাস করতে পারছি। তবে আমরা করোনা নিয়ে আতঙ্কে ছিলাম। এখন আমরা টিকা নিতে পেরে খুশি। এতে আমরা নির্ভয়ে ও নিবিঘ্নে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে পারবো এবং আমরা করোনা থেকে ঝুঁকিমুক্ত থাকবো।

সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সাকিবুর রহমান বলেন, প্রথম পর্যায়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ৮৫০ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে এ টিকা দেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সের সকল শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা হবে।

শেখ হাসিনা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষক হুমায়রা আক্তার বলেন, করোনার কারণে দীর্ঘদিন স্কুল-কলেজ বন্ধ ছিলো। করোনার প্রকোপ কমায় স্কুল-কলেজ খুলেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা করতে করোনা টিকা দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ মহৎ উদ্যোগের জন্য সকল শিক্ষার্থীদের পক্ষে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এ টিকা দেয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকার পাশাপশি স্বাস্থ্য সুরক্ষাও বজায় থাকবে।

সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ বলেন, জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের তালিকা তৈরি করে ৮৫০ শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেয়া হচ্ছে। গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের দু’জন নার্স এ টিকা প্রদান করছেন। করোনার প্রকোপ কমে যাওয়ায় দীর্ঘদিন পর স্কুল-কলেজ খোলা হলেও করোনার ঝুঁকিমুক্ত ছিল না শিক্ষার্থীরা। ফাইজারের কারোনার টিকায় স্বাস্থ্যঝুঁকি না থাকায় শিক্ষার্থীদের এ টিকা দেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...