ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দগ্ধ অবস্থায় সন্তান জন্ম দেয়া সেই কুলসুম মারা গেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৬:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩
  • / 117
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১০ তলা একটি বাসায় বিস্ফোরণে দগ্ধ অবস্থায় সন্তান জন্ম দেয়া উম্মে কুলসুম (২৪) মারা গেছেন। তার সন্তানটি এখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় কুলসুম মারা যান।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দগ্ধ ওই নারী ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা। বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি জন্ম দিয়েছেন এক ছেলে সন্তানের। সিজারিয়ান ডেলিভারি হওয়া শিশুকে রাখা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে।

কুলসুম আক্তারের স্বামী আব্দুল্লাহ আল মাসুদ জানান, আমরা নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লা মাসদাইর এলাকায় একটি ১০ তলা বাসার ৬ তলায় থাকতাম। ১২ মার্চ সন্ধ্যায় বাসায় বিস্ফোরণ হয়। ঘটনার সময় আমি আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছিলাম। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আমার স্ত্রী ও ছেলেকে উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন।

ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইয়ুব হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টার দিকে কুলসুম আক্তার মারা যান। তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

তিনি আরও জানান, কুলসুম আক্তার অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। সিজারের মাধ্যমে একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেয়ার পরে মারা গেলেন তিনি। নবজাতকের ওজন কম হওয়ায় তাকে এনআইসিইউতে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লা মাসদাইর এলাকায় একটি ১০ তলা বাসার ৬ তলায় থাকতেন কুলসুম আক্তার। ১২ মার্চ সন্ধ্যায় বাসায় বিস্ফোরণ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আমার মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দগ্ধ অবস্থায় সন্তান জন্ম দেয়া সেই কুলসুম মারা গেছেন

আপডেট : ০৬:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১০ তলা একটি বাসায় বিস্ফোরণে দগ্ধ অবস্থায় সন্তান জন্ম দেয়া উম্মে কুলসুম (২৪) মারা গেছেন। তার সন্তানটি এখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় কুলসুম মারা যান।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দগ্ধ ওই নারী ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা। বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি জন্ম দিয়েছেন এক ছেলে সন্তানের। সিজারিয়ান ডেলিভারি হওয়া শিশুকে রাখা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে।

কুলসুম আক্তারের স্বামী আব্দুল্লাহ আল মাসুদ জানান, আমরা নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লা মাসদাইর এলাকায় একটি ১০ তলা বাসার ৬ তলায় থাকতাম। ১২ মার্চ সন্ধ্যায় বাসায় বিস্ফোরণ হয়। ঘটনার সময় আমি আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছিলাম। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আমার স্ত্রী ও ছেলেকে উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন।

ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইয়ুব হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টার দিকে কুলসুম আক্তার মারা যান। তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

তিনি আরও জানান, কুলসুম আক্তার অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। সিজারের মাধ্যমে একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেয়ার পরে মারা গেলেন তিনি। নবজাতকের ওজন কম হওয়ায় তাকে এনআইসিইউতে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লা মাসদাইর এলাকায় একটি ১০ তলা বাসার ৬ তলায় থাকতেন কুলসুম আক্তার। ১২ মার্চ সন্ধ্যায় বাসায় বিস্ফোরণ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আমার মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন।