ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২৪ ঘণ্টায় ৩০ হাজার যানবাহন পারাপার

বঙ্গবন্ধু সেতুতে গাড়ির চাপ, মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
  • আপডেট : ০৬:২১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৩
  • / 88

ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কেও যানবাহনের চাপ বেড়েছে দ্বিগুণ। যানবহনের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গগামী মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হচ্ছেন মোটরসাইকেলযোগে। এতে বুধবার ভোর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব এলাকায় আলাদা টোল বুথে শত শত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে ৩০ হাজার ২৫১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে মোট টোল আদায় হয়েছে দুই কোটি ৪৪ লাখ ২১ হাজার ৫৫০ টাকা।

বুধবার বঙ্গবন্ধু সেতু অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুল কবীর পাভেল এ তথ্য জানিয়েছেন।

সরেজমিনে বঙ্গবন্ধু সেতুতে গিয়ে দেখা গেছে, শত শত মোটরসাইকেল বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব টোলপ্লাজার পাশেই স্থাপিত আলাদা বুথে অপেক্ষা করছে সেতু পার হওয়ার সময়। এসময় সেতু কর্তৃপক্ষের লোকজন অপেক্ষারত মোটরসাইকেল আরোহীদের নির্ধারিত মোটরসাইকেলের টোলের টাকা হাতে রাখার জন্য মাইকিং করছে।

এদিকে মহাসড়কে যাত্রীবাহি বাসের চেয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি বেশি দেখা গেছে। এরমধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি।

নরসিংদী থেকে উত্তরবঙ্গে যাওয়া জাকির হোসেন বলেন, ভোররাতে নরসিংদী থেকে রওনা হয়েছি মোটরসাইকেলযোগে ঈদে বাড়ি যাওয়ার জন্য। মহাসড়ক ফাঁকা ছিল বিধায় তাড়াতাড়ি আসতে পেরেছি।

স্ত্রী নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছেন ব্যাংকে কর্মরত শরীফ মোহাম্মদ। তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাচ্ছি। সেতু পার হলেই বাড়ি। তাই স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছি। আমার মতো শত শত মোটরসাইকেলের আরোহীরা অপেক্ষা করছে সেতু পার হতে।

মোটরসাইকেল আরোহীরা জানান, ছুটির প্রথম দিনে মহাসড়ক ফাঁকা ছিল। ঝামেলা ছাড়াই মোটরসাইকেলে বাড়ি যাওয়া সহজ।

বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল জানান, ভোররাত থেকেই সেতুতে মোটরসাইকেল পারাপারে দীর্ঘ সারি ছিল। মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য আলাদা বুথ করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টাঙ্গাইল অংশে ১৭ হাজার ২৫৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে ও টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ২৬ লাখ চার হাজার ৯৫০ টাকা এবং সেতু পশ্চিম সিরাজগঞ্জ অংশে ১২ হাজার ৯৯৫টি যানবাহন পারাপার হয় ও এক কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

মো. আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে ততই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বাড়ছে। ফলে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ছোট-বড় সব মিলিয়ে ৩০ হাজার ২৫১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে মোট টোল আদায় হয়েছে দুই কোটি ৪৪ লাখ ২১ হাজার ৫৫০ টাকা। ভোগান্তি রোধে সেতুর টাঙ্গাইল অংশে ১১টি এবং সিরাজগঞ্জ অংশে ৯টি টোল বুথ কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

২৪ ঘণ্টায় ৩০ হাজার যানবাহন পারাপার

বঙ্গবন্ধু সেতুতে গাড়ির চাপ, মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি

আপডেট : ০৬:২১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৩

ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কেও যানবাহনের চাপ বেড়েছে দ্বিগুণ। যানবহনের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গগামী মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হচ্ছেন মোটরসাইকেলযোগে। এতে বুধবার ভোর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব এলাকায় আলাদা টোল বুথে শত শত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে ৩০ হাজার ২৫১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে মোট টোল আদায় হয়েছে দুই কোটি ৪৪ লাখ ২১ হাজার ৫৫০ টাকা।

বুধবার বঙ্গবন্ধু সেতু অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুল কবীর পাভেল এ তথ্য জানিয়েছেন।

সরেজমিনে বঙ্গবন্ধু সেতুতে গিয়ে দেখা গেছে, শত শত মোটরসাইকেল বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব টোলপ্লাজার পাশেই স্থাপিত আলাদা বুথে অপেক্ষা করছে সেতু পার হওয়ার সময়। এসময় সেতু কর্তৃপক্ষের লোকজন অপেক্ষারত মোটরসাইকেল আরোহীদের নির্ধারিত মোটরসাইকেলের টোলের টাকা হাতে রাখার জন্য মাইকিং করছে।

এদিকে মহাসড়কে যাত্রীবাহি বাসের চেয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি বেশি দেখা গেছে। এরমধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি।

নরসিংদী থেকে উত্তরবঙ্গে যাওয়া জাকির হোসেন বলেন, ভোররাতে নরসিংদী থেকে রওনা হয়েছি মোটরসাইকেলযোগে ঈদে বাড়ি যাওয়ার জন্য। মহাসড়ক ফাঁকা ছিল বিধায় তাড়াতাড়ি আসতে পেরেছি।

স্ত্রী নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছেন ব্যাংকে কর্মরত শরীফ মোহাম্মদ। তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাচ্ছি। সেতু পার হলেই বাড়ি। তাই স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছি। আমার মতো শত শত মোটরসাইকেলের আরোহীরা অপেক্ষা করছে সেতু পার হতে।

মোটরসাইকেল আরোহীরা জানান, ছুটির প্রথম দিনে মহাসড়ক ফাঁকা ছিল। ঝামেলা ছাড়াই মোটরসাইকেলে বাড়ি যাওয়া সহজ।

বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল জানান, ভোররাত থেকেই সেতুতে মোটরসাইকেল পারাপারে দীর্ঘ সারি ছিল। মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য আলাদা বুথ করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টাঙ্গাইল অংশে ১৭ হাজার ২৫৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে ও টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ২৬ লাখ চার হাজার ৯৫০ টাকা এবং সেতু পশ্চিম সিরাজগঞ্জ অংশে ১২ হাজার ৯৯৫টি যানবাহন পারাপার হয় ও এক কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

মো. আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে ততই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বাড়ছে। ফলে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ছোট-বড় সব মিলিয়ে ৩০ হাজার ২৫১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে মোট টোল আদায় হয়েছে দুই কোটি ৪৪ লাখ ২১ হাজার ৫৫০ টাকা। ভোগান্তি রোধে সেতুর টাঙ্গাইল অংশে ১১টি এবং সিরাজগঞ্জ অংশে ৯টি টোল বুথ কাজ করছে।