রিজেন্ট কেলেঙ্কারি : আত্মসমর্পণ করতে পারলেন না স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি

নিজস্ব প্রতিবেদক;
  • প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২১, ১:৪৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২ সপ্তাহ আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

লাইসেন্স নবায়নবিহীন রিজেন্ট হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল ঘোষণা এবং করোনার নমুনা পরীক্ষায় দুর্নীতির আলোচিত মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ আদালতে আত্মসমর্পণ করতে এসে ফিরে গেছেন।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করতে আসেন আবুল কালাম আজাদ। আদালতে আত্মসমর্পণের পাশাপশি জামিনের জমা দেন।

কিন্তু আদালতে অন্য মামলার বিচারিক কাজে ব্যস্ত থাকায় আত্মসমর্পণের আবেদনের শুনানি করতে পারবেন না বলে জানান বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশ। যারফলে আইনজীবীরা আবেদন তুলে নেন। সেই সঙ্গে সাবেক মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

তবে দুদকের এক প্রসিকিউরটর জানিয়েছেন, ব্যস্ত থাকায় বিচারক আগামী বৃহস্পতিবার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদকে আত্মসমর্পণের জন্য আসতে বলেছেন।

গত বছর ২৩ সেপ্টম্বর রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। মামলায় নাম না থাকলেও তদন্তে নাম আসায় অভিযোগপত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদকে আসামি করা হয়।

অন্য আসামীরা হলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালকশফিউর রহমান ও গবেষণা কর্মকর্তা মো. দিদারুল ইসলাম।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। অভিযোগপত্রে বলা হয়, অবৈধ পারিতোষিক বাবদ রোগী প্রতি সাড়ে তিন হাজার টাকা করে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণ করা হয়েছে।

এছাড়া রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের খাবার খরচ বরাদ্দের বিষয়ে এক কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার মাসিক চাহিদা তুলে ধরেন।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির তিনটি ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ধারায় সর্বমোট ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...