আফগানিস্তানে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;
  • প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১:৫৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৪ সপ্তাহ আগে

ইউএস জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান মার্ক মিলি। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জেনারেল স্থানীয় সময় বুধবার সুস্পষ্টভাবে স্বীকারোক্তি দিয়ে বলেছেন, আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বছরের যুদ্ধ ‘ব্যর্থ’ হয়েছে। ইউএস জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান মার্ক মিলি মার্কিন কংগ্রেসের আর্মড সার্ভিসেস কমিটিকে বলেন, ‘আমাদের সকলের কাছে এটি সুস্পষ্ট যে, তালেবান কাবুল দখল করায় আফগানিস্তান যুদ্ধ আমাদের চাওয়া অনুযায়ী শেষ হয়নি।’ খবর এএফপি, বাসসের।

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং রাজধানী কাবুল থেকে হুড়োহুড়ি করে লোকজনকে সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে কমিটির শুনানিতে মিলি বলেন, ‘এ যুদ্ধ কৌশলগতভাবে ব্যর্থ হয়েছে।’ মিলি বলেন, ‘সর্বশেষ ২০ দিন বা এমনকি ২০ মাস এটি ব্যর্থ ছিল না।’

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শীর্ষ সামরিক উপদেষ্ঠার দায়িত্ব পালন করা এ জেনারেল বলেন, আফগানিস্তান থেকে ‘ফিরে আসার কৌশলগত ধারাবাহিক সিদ্ধান্তের ক্রমবর্ধিত প্রভাবে এমনটা হয়েছে। বাইডেন আফগানিস্তানে মার্কিন সেনার ২০ বছরের উপস্থিতির অবসান ঘটানোর নির্দেশ দেন।

গত এপ্রিলে বাইডেন ৩১ আগস্ট নাগাদ আফগানিস্তান থেকে সম্পূর্ণভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেয়ার নির্দেশ দেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাধ্যমে তালেবানের সাথে করা একটি চুক্তি অনুযায়ী তিনি এমন নির্দেশ দেন।

মার্কিন ফ্রাঙ্ক মেকেঞ্জির উদ্ধৃতি দিয়ে বৃহস্পতিবার আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে তালেবানের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই চুক্তিতেই আফগানিস্তান থেকে সব সেনা প্রত্যাহারের অঙ্গীকার রয়েছে।

মিলি ও ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড কমান্ডার ম্যাকেঞ্জি মঙ্গলবার সিনেট কমিটিকে বলেন, তারা ব্যক্তিগতভাবে আফগানিস্তানে আড়াই হাজার সেনা রাখার সুপারিশ করেছিলেন। অবশ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়েছেন, এমন কোনো সুপারিশ তাকে করা হয়নি।

হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেন, আফগানিস্তানের ব্যাপারে কি করা যায়, সে ব্যাপারে ‘আংশিক’ পরামর্শ বাইডেন গ্রহণ করেছেন। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে আল-কায়েদা হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালায়।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...