ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অস্ট্রেলিয়ায় মহামারিতে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট : ১২:০৭:০০ অপরাহ্ন, সোমাবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১
  • / 125
অস্ট্রেলিয়ায় করোনা ভাইরাসের ভারতীয় ধরন বা ডেল্টার কারণে সংক্রমণ লাগামছাড়াভাবে বাড়ছে। এ প্রেক্ষিতে পুরো মহামারি পর্বে সোমবার পর্যন্ত দেশটিতে মারা গেছেন এক হাজারের বেশি মানুষ। বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় টিকা গ্রহণের হার তুলনামুলকভাবে কম। গত বছর করোনার প্রথম ঢেউ বেশ সফলভাবেই সামাল দিয়েছিল দেশটি। কিন্তু এবার ডেল্টা ধারণার চেয়ে দ্রুত গতিতে দেশটিতে ছড়িয়ে পড়ছে। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় এ পর্যন্ত করোনায় প্রাণ গেছে ১ হাজার ৩ জনের।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় দৈনিক শনাক্ত প্রতিদিনই রেকর্ড ভাঙছে। দেশটির সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্য। ওই অঙ্গরাজ্যের রাজধানী সিডনিতে সোমবার রেকর্ড ১ হাজার ২১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়; মারা গেছেন ৪ জন।

কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে, টিকা প্রয়োগ অব্যহত থাকলেও অক্টোবরের দিকে করোনায় মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

চলতি বছর সিডনি, মেলবোর্ন ও ক্যানবেরায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানলে দেশটির অর্ধেকের বেশি মানুষকে লকডাউনের আওতায় নিয়ে আসা হয়। এতে অনেকটা দীর্ঘ লকডাউনে পড়েন বাসিন্দারা। দেশটিতে টিকাদান কর্মসচিও চলছে বেশ তোড়জোড় করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অস্ট্রেলিয়ায় মহামারিতে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো

আপডেট : ১২:০৭:০০ অপরাহ্ন, সোমাবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১
অস্ট্রেলিয়ায় করোনা ভাইরাসের ভারতীয় ধরন বা ডেল্টার কারণে সংক্রমণ লাগামছাড়াভাবে বাড়ছে। এ প্রেক্ষিতে পুরো মহামারি পর্বে সোমবার পর্যন্ত দেশটিতে মারা গেছেন এক হাজারের বেশি মানুষ। বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় টিকা গ্রহণের হার তুলনামুলকভাবে কম। গত বছর করোনার প্রথম ঢেউ বেশ সফলভাবেই সামাল দিয়েছিল দেশটি। কিন্তু এবার ডেল্টা ধারণার চেয়ে দ্রুত গতিতে দেশটিতে ছড়িয়ে পড়ছে। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় এ পর্যন্ত করোনায় প্রাণ গেছে ১ হাজার ৩ জনের।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় দৈনিক শনাক্ত প্রতিদিনই রেকর্ড ভাঙছে। দেশটির সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্য। ওই অঙ্গরাজ্যের রাজধানী সিডনিতে সোমবার রেকর্ড ১ হাজার ২১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়; মারা গেছেন ৪ জন।

কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে, টিকা প্রয়োগ অব্যহত থাকলেও অক্টোবরের দিকে করোনায় মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

চলতি বছর সিডনি, মেলবোর্ন ও ক্যানবেরায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানলে দেশটির অর্ধেকের বেশি মানুষকে লকডাউনের আওতায় নিয়ে আসা হয়। এতে অনেকটা দীর্ঘ লকডাউনে পড়েন বাসিন্দারা। দেশটিতে টিকাদান কর্মসচিও চলছে বেশ তোড়জোড় করে।