ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মৈত্রী পাইপলাইন

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের নতুন মাইলফলক : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট : ০৮:১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মার্চ ২০২৩
  • / 113
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখেই দুই দেশের উন্নয়নে কাজ করতে চায় সরকার। আর বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন দুই দেশের সহযোগিতার উন্নয়নের মাইলফলক।

শনিবার বিকেলে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আন্তঃদেশীয় জ্বালানি তেল আনতে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

গণভবন থেকে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নতুন অধ্যায় রচিত হলো বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের এ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন দুদেশের সহযোগিতার উন্নয়নের মাইলফলক ও দুদেশের সম্পর্কে নতুন মাইলফলকও।

দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ফলে বিশ্বের অনেক দেশ যখন জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি, তখন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে এই পাইপলাইন।

ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু ও ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মৈত্রী পাইপলাইন দুদেশের সহযোগিতা উন্নয়নে মাইলফলক, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে। এ ছাড়া দুদেশের বন্ধুত্ব অটুট থাকবে।

শিলিগুড়ি থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর পর্যন্ত প্রায় ১৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পাইপলাইনের পুরোটাই নির্মাণ হয়েছে ভারতের অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায়। যা দুদেশের সম্পর্কের নতুন মাত্রা হিসেবে দেখছে জ্বালানি বিভাগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারত থেকে পাইপলাইনে প্রাথমিক অবস্থায় বছরে ২ লাখ টন জ্বালানি পাওয়া যাবে, পরবর্তীকালে যা উন্নীত হবে ১০ লাখ টনে। পূর্ণক্ষমতায় পাইপলাইনটি ব্যবহার হলে পরিবহন ব্যয়বাবদ বছরে প্রায় শতকোটি টাকা সাশ্রয়ের আশা নীতিনির্ধারকদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মৈত্রী পাইপলাইন

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের নতুন মাইলফলক : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৮:১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মার্চ ২০২৩
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখেই দুই দেশের উন্নয়নে কাজ করতে চায় সরকার। আর বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন দুই দেশের সহযোগিতার উন্নয়নের মাইলফলক।

শনিবার বিকেলে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আন্তঃদেশীয় জ্বালানি তেল আনতে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

গণভবন থেকে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নতুন অধ্যায় রচিত হলো বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের এ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন দুদেশের সহযোগিতার উন্নয়নের মাইলফলক ও দুদেশের সম্পর্কে নতুন মাইলফলকও।

দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ফলে বিশ্বের অনেক দেশ যখন জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি, তখন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে এই পাইপলাইন।

ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু ও ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মৈত্রী পাইপলাইন দুদেশের সহযোগিতা উন্নয়নে মাইলফলক, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে। এ ছাড়া দুদেশের বন্ধুত্ব অটুট থাকবে।

শিলিগুড়ি থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর পর্যন্ত প্রায় ১৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পাইপলাইনের পুরোটাই নির্মাণ হয়েছে ভারতের অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায়। যা দুদেশের সম্পর্কের নতুন মাত্রা হিসেবে দেখছে জ্বালানি বিভাগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারত থেকে পাইপলাইনে প্রাথমিক অবস্থায় বছরে ২ লাখ টন জ্বালানি পাওয়া যাবে, পরবর্তীকালে যা উন্নীত হবে ১০ লাখ টনে। পূর্ণক্ষমতায় পাইপলাইনটি ব্যবহার হলে পরিবহন ব্যয়বাবদ বছরে প্রায় শতকোটি টাকা সাশ্রয়ের আশা নীতিনির্ধারকদের।