ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনেই ভোট হবে ব্যালটে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৭:৫০:৪২ অপরাহ্ন, সোমাবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩
  • / 95
আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে কমিশনের অনুষ্ঠিতব্য সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।

১৭তম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। সভায় অন্য চার কমিশনারসহ ইসি সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নির্বাচনে ভোটে ইভিএম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের কারণ জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী রোড ম্যাপে সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা নিয়েছিল। এই লক্ষ্য ৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সরকার সেই প্রকল্পটি অনুমোদন করেনি। অন্য দিকে বিদ্যমান ইভিএম সংস্কারে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। সেই টাকা দিতেও অর্থ মন্ত্রণালয় অপারগতা প্রকাশ করেছে। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ইভিএম নিয়ে ঐক্যমতের অভাব ছিল। এই সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কমিশন হয়তো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

জাহাঙ্গীর আলম জানান, আগামী দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে স্বচ্ছ ব্যালট পেপারে ভোট হবে।

আজকের কমিশনের সভায় ইভিএম ব্যবহার সংক্রান্ত বিষয় ছাড়াও বেশ কিছু বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এর মধ্যে পাঁচ সিটি করপোরেশনে ভোটের তারিখও নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিক বা গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য নীতিমালা, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) এর সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি অনুমোদন এবং অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনেই ভোট হবে ব্যালটে

আপডেট : ০৭:৫০:৪২ অপরাহ্ন, সোমাবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩
আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে কমিশনের অনুষ্ঠিতব্য সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।

১৭তম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। সভায় অন্য চার কমিশনারসহ ইসি সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নির্বাচনে ভোটে ইভিএম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের কারণ জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী রোড ম্যাপে সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা নিয়েছিল। এই লক্ষ্য ৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সরকার সেই প্রকল্পটি অনুমোদন করেনি। অন্য দিকে বিদ্যমান ইভিএম সংস্কারে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। সেই টাকা দিতেও অর্থ মন্ত্রণালয় অপারগতা প্রকাশ করেছে। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ইভিএম নিয়ে ঐক্যমতের অভাব ছিল। এই সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কমিশন হয়তো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

জাহাঙ্গীর আলম জানান, আগামী দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে স্বচ্ছ ব্যালট পেপারে ভোট হবে।

আজকের কমিশনের সভায় ইভিএম ব্যবহার সংক্রান্ত বিষয় ছাড়াও বেশ কিছু বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এর মধ্যে পাঁচ সিটি করপোরেশনে ভোটের তারিখও নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিক বা গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য নীতিমালা, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) এর সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি অনুমোদন এবং অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।