ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রথম আলো আওয়ামী লীগ ও দেশের মানুষের শত্রু: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট : ০৬:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমাবার, ১০ এপ্রিল ২০২৩
  • / 116
দৈনিক প্রথম আলোর তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, প্রথম আলো আওয়ামী লীগের শত্রু, প্রথম আলো গণতন্ত্রের শত্রু, প্রথম আলো দেশের মানুষের শত্রু।

সোমবার জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অধিবেশনে সমাপনী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাধীনতা দিবসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন ও ফটো কার্ড নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে নানা বক্তব্য ও কর্মসূচির মধ্যে প্রথমবারের মত বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এটা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলি- এরা এদেশে কখনও স্থিতিশীলতা থাকতে দিতে চায় না।

তার অভিযোগ, কিছু বুদ্ধিজীবী, ও যারা ‘বুদ্ধি বেচে জীবিকা নির্বাহ করেন’ তারা, ‘সামান্য কিছু পয়সার লোভে’ অগণতান্ত্রিক ধারা আনতে এদের (প্রথম আলো) তাবেদারি ও পদলেহন করে।

সংসদ নেতা বলেন, (প্রথম আলো) দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলে। এখন দেখা যায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাজাপ্রাপ্ত তাদের পক্ষ হয়ে তারা ওকালতি করে যাচ্ছে। গণতন্ত্রকে বাদ দিয়ে তারা এমন একটা সরকার আনতে চাচ্ছে যার কোনো গণতান্ত্রিক অস্তিত্বই থাকবে না।

প্রথম আলোর ওই প্রতিবেদনের সমালোচনা করে সংসদে শেখ হাসিনা বলেন, মাত্র একটা ছোট্ট শিশুর হাতে ১০টা টাকা দিয়ে, তাকে দিয়ে একটা মিথ্যা বলানো, শিশুর মুখ থেকে কিছু কথা বলানো… কী কথা? ভাত মাংসের স্বাধীনতা চাই। একটা ৭ বছরের শিশু, তার হাতে ১০টা টাকা তুলে দেওয়া এবং তার কথা রেকর্ড করে তা প্রচার করা, স্বনামধন্য একটা পত্রিকা, খুবই পপুলার, নাম তার প্রথম আলো। কিন্তু কাজ করে অন্ধকারে।

সংসদ নেতার বক্তব্যের সমর্থনে সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে ‘ঠিক, ঠিক’ উচ্চারণ করেন। কেউ কেউ বলতে থাকেন, ‘শেইম, শেইম’।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

প্রথম আলো আওয়ামী লীগ ও দেশের মানুষের শত্রু: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৬:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমাবার, ১০ এপ্রিল ২০২৩
দৈনিক প্রথম আলোর তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, প্রথম আলো আওয়ামী লীগের শত্রু, প্রথম আলো গণতন্ত্রের শত্রু, প্রথম আলো দেশের মানুষের শত্রু।

সোমবার জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অধিবেশনে সমাপনী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাধীনতা দিবসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন ও ফটো কার্ড নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে নানা বক্তব্য ও কর্মসূচির মধ্যে প্রথমবারের মত বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এটা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলি- এরা এদেশে কখনও স্থিতিশীলতা থাকতে দিতে চায় না।

তার অভিযোগ, কিছু বুদ্ধিজীবী, ও যারা ‘বুদ্ধি বেচে জীবিকা নির্বাহ করেন’ তারা, ‘সামান্য কিছু পয়সার লোভে’ অগণতান্ত্রিক ধারা আনতে এদের (প্রথম আলো) তাবেদারি ও পদলেহন করে।

সংসদ নেতা বলেন, (প্রথম আলো) দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলে। এখন দেখা যায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাজাপ্রাপ্ত তাদের পক্ষ হয়ে তারা ওকালতি করে যাচ্ছে। গণতন্ত্রকে বাদ দিয়ে তারা এমন একটা সরকার আনতে চাচ্ছে যার কোনো গণতান্ত্রিক অস্তিত্বই থাকবে না।

প্রথম আলোর ওই প্রতিবেদনের সমালোচনা করে সংসদে শেখ হাসিনা বলেন, মাত্র একটা ছোট্ট শিশুর হাতে ১০টা টাকা দিয়ে, তাকে দিয়ে একটা মিথ্যা বলানো, শিশুর মুখ থেকে কিছু কথা বলানো… কী কথা? ভাত মাংসের স্বাধীনতা চাই। একটা ৭ বছরের শিশু, তার হাতে ১০টা টাকা তুলে দেওয়া এবং তার কথা রেকর্ড করে তা প্রচার করা, স্বনামধন্য একটা পত্রিকা, খুবই পপুলার, নাম তার প্রথম আলো। কিন্তু কাজ করে অন্ধকারে।

সংসদ নেতার বক্তব্যের সমর্থনে সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে ‘ঠিক, ঠিক’ উচ্চারণ করেন। কেউ কেউ বলতে থাকেন, ‘শেইম, শেইম’।