ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৫৫ কেজি সোনা চুরির মামলা ডিবিতে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৩:১৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / 101

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস হাউজের গুদামের লকার থেকে ৫৫ কেজি সোনা চুরির মামলা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকরাম হোসেন।

 

তিনি বলেন, মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সোনা চুরির এ ঘটনা ঢাকা শুল্ক বিভাগের নজরে আসে শনিবার (২ সেপ্টেম্বর)। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় পরদিন রোববার। বিমানবন্দরের কাস্টম হাউজের নিজস্ব গুদামে দিনভর গণনা শেষে ৫৫ কেজি সোনা চুরি বা বেহাত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে অজ্ঞাতদের আসামি করে। পুরো ঘটনা তদন্তের জন্য যুগ্ম-কমিশনার মিনহাজ উদ্দীনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি টিম গঠন করেছে কাস্টমস হাউজ।

এর আগেও একাধিকবার কাস্টমসের গুদাম থেকে স্বর্ণ, মোবাইল ফোন, মেমোরি কার্ডসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল চুরি হয়েছে। এ নিয়ে একাধিক মামলাও হয়। জানা গেছে, সাধারণত যাত্রীদের কাছ থেকে জব্দ করা স্বর্ণসহ মূল্যবান জিনিস কাস্টমসের গুদামে রাখা হয়। গুদামে রক্ষিত স্বর্ণের হিসাব মেলাতে গিয়েই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে।

বিমানবন্দরের সূত্র বলছে, উধাও হওয়া স্বর্ণের বার ও অলঙ্কার মিলিয়ে প্রায় ৫৫ কেজি স্বর্ণ কাস্টমসের গুদামের একটি আলমারিতে বাক্সের মধ্যে সংরক্ষিত ছিল। কিন্তু আলমারি ভেঙে সেই বাক্সটিই চুরি হয়ে গেছে। গুদামে কাস্টমসের কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কারও প্রবেশের সুযোগ নেই। তাই কাস্টমসের কেউই এটা করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

৫৫ কেজি সোনা চুরির মামলা ডিবিতে হস্তান্তর

আপডেট : ০৩:১৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস হাউজের গুদামের লকার থেকে ৫৫ কেজি সোনা চুরির মামলা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকরাম হোসেন।

 

তিনি বলেন, মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সোনা চুরির এ ঘটনা ঢাকা শুল্ক বিভাগের নজরে আসে শনিবার (২ সেপ্টেম্বর)। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় পরদিন রোববার। বিমানবন্দরের কাস্টম হাউজের নিজস্ব গুদামে দিনভর গণনা শেষে ৫৫ কেজি সোনা চুরি বা বেহাত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে অজ্ঞাতদের আসামি করে। পুরো ঘটনা তদন্তের জন্য যুগ্ম-কমিশনার মিনহাজ উদ্দীনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি টিম গঠন করেছে কাস্টমস হাউজ।

এর আগেও একাধিকবার কাস্টমসের গুদাম থেকে স্বর্ণ, মোবাইল ফোন, মেমোরি কার্ডসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল চুরি হয়েছে। এ নিয়ে একাধিক মামলাও হয়। জানা গেছে, সাধারণত যাত্রীদের কাছ থেকে জব্দ করা স্বর্ণসহ মূল্যবান জিনিস কাস্টমসের গুদামে রাখা হয়। গুদামে রক্ষিত স্বর্ণের হিসাব মেলাতে গিয়েই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে।

বিমানবন্দরের সূত্র বলছে, উধাও হওয়া স্বর্ণের বার ও অলঙ্কার মিলিয়ে প্রায় ৫৫ কেজি স্বর্ণ কাস্টমসের গুদামের একটি আলমারিতে বাক্সের মধ্যে সংরক্ষিত ছিল। কিন্তু আলমারি ভেঙে সেই বাক্সটিই চুরি হয়ে গেছে। গুদামে কাস্টমসের কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কারও প্রবেশের সুযোগ নেই। তাই কাস্টমসের কেউই এটা করেছে।