ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফরেনসিক ল্যাবে যাচ্ছে রোজিনার মোবাইল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট : ০১:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মে ২০২১
  • / 191

ফাইল ছবি

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

সরকারি নথি সরানোর অভিযোগে প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে ঘটনার দিন রোজিনার কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইলগুলো পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক ল্যাবে পাঠাচ্ছে ডিবি।

শনিবার ডিবি সূত্রে জানা যায়, ওই ঘটনার দিনের সচিবালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজে অনেক তথ্য পাওয়া যাবে।

ডিবি সূত্রে আরো জানা গেছে, তদন্তের শুরুতেই মামলার সব নথিপত্র ও জব্দ হওয়া কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শুরু করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে রোজিনার বিরুদ্ধে নথি চুরি ও ছবি তোলার যে অভিযোগ রয়েছে সেটি সত্য কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

আলোচিত এই ঘটনাটি তদন্তে সব কিছু যাতে পরিষ্কার ও নির্ভুলভাবে উঠে আসে সেই লক্ষ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন।

ডিবি রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) এইচএম আজিমুল হক বলেন, সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মামলার তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে তদন্ত সম্পূর্ণ করেই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেব।

এর আগে ১৯ মে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ও দণ্ডবিধিতে করা এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় ডিবিকে। ডিবি রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) এইচ এম আজিমুল হক বলেন, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের ক্ষেত্রে যা কিছু করণীয় তার সব করা হবে। অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্ত হবে। মামলা তদন্তে কোনো চাপ নেই।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার (২০ মে) রোজিনার জামিন বিষয়ে শুনানি ছিল। কিন্তু সেদিন তার জামিন হয়নি। শুনানি শেষে এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী রোববার দিন ঠিক করে দিয়েছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত, গত ১৭ মে সোমবার দুপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গেলে সেখানকার কর্মকর্তারা রোজিনা ইসলামকে অবরুদ্ধ করেন। পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধের পর তাকে শাহবাগ থানায় নেয়া হয়। নথি সরানোর অভিযোগে রাতেই তার বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের ৩ ও ৫ ধারা ও পেনাল কোডের ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় রোজিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। রাতেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে ‘অনুমতি ছাড়া মোবাইল ফোনে সরকারি গোপনীয় নথির ছবি তোলা এবং আরও কিছু নথি লুকিয়ে রাখার’ অভিযোগ আনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ফরেনসিক ল্যাবে যাচ্ছে রোজিনার মোবাইল

আপডেট : ০১:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মে ২০২১
::নিজস্ব প্রতিবেদক::

সরকারি নথি সরানোর অভিযোগে প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে ঘটনার দিন রোজিনার কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইলগুলো পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক ল্যাবে পাঠাচ্ছে ডিবি।

শনিবার ডিবি সূত্রে জানা যায়, ওই ঘটনার দিনের সচিবালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজে অনেক তথ্য পাওয়া যাবে।

ডিবি সূত্রে আরো জানা গেছে, তদন্তের শুরুতেই মামলার সব নথিপত্র ও জব্দ হওয়া কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শুরু করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে রোজিনার বিরুদ্ধে নথি চুরি ও ছবি তোলার যে অভিযোগ রয়েছে সেটি সত্য কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

আলোচিত এই ঘটনাটি তদন্তে সব কিছু যাতে পরিষ্কার ও নির্ভুলভাবে উঠে আসে সেই লক্ষ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন।

ডিবি রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) এইচএম আজিমুল হক বলেন, সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মামলার তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে তদন্ত সম্পূর্ণ করেই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেব।

এর আগে ১৯ মে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ও দণ্ডবিধিতে করা এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় ডিবিকে। ডিবি রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) এইচ এম আজিমুল হক বলেন, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের ক্ষেত্রে যা কিছু করণীয় তার সব করা হবে। অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্ত হবে। মামলা তদন্তে কোনো চাপ নেই।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার (২০ মে) রোজিনার জামিন বিষয়ে শুনানি ছিল। কিন্তু সেদিন তার জামিন হয়নি। শুনানি শেষে এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী রোববার দিন ঠিক করে দিয়েছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত, গত ১৭ মে সোমবার দুপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গেলে সেখানকার কর্মকর্তারা রোজিনা ইসলামকে অবরুদ্ধ করেন। পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধের পর তাকে শাহবাগ থানায় নেয়া হয়। নথি সরানোর অভিযোগে রাতেই তার বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের ৩ ও ৫ ধারা ও পেনাল কোডের ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় রোজিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। রাতেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে ‘অনুমতি ছাড়া মোবাইল ফোনে সরকারি গোপনীয় নথির ছবি তোলা এবং আরও কিছু নথি লুকিয়ে রাখার’ অভিযোগ আনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।