ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জননেত্রী শেখ হাসিনা নেত্রীর অক্লান্ত পরিশ্রমে স্মার্ট বাংলাদেশ দৃশ্য মানের অগ্রযাত্রায় : বশির আহম্মেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ১২:২১:০৩ অপরাহ্ন, সোমাবার, ১ মে ২০২৩
  • / 206

বশির আহম্মেদ, (সাংগঠনিক সম্পাদক- ১নং ইউনিট) ৩৭নং ওয়ার্ড, আওয়ামীলীগ ঢাকা মহানগর উত্তর। তিনি (বশির) বিগত বহু বৎসর যাবৎ, আওয়ামীলীগের বিভিন্ন কার্যক্রমে দায়িত্বশীল ভাবে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আন্তরিক ভাবে, কাজ করে যাচ্ছেন বলে- জানা যায়।

তিনি (বশির) পারিবারিক ভাবে ছোট বেলা থেকেই, আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার পিতা- মরহুম আব্দুল লতিফ খলিফা ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে (জীবন বাজি রেখে) মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

তিনি (বশির) সব সময় আওয়ামীলীগের সকল মিটিং, মিছিল, আন্দোলন সংগ্রামে- নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন। এমনকি, তিনি (বশির) সব সময়ই উক্ত ৩৭নং ওর্য়াডের গরীব দুঃখী অসহায়দের নিজের সাধ্যমত সহযোগীতা করে আসছেন। এবং উক্ত ৩৭নং ওয়ার্ডের সমাজ কল্যাণ মূলক বিভিন্ন কর্ম-কান্ডে তিনি (বশির) জড়িত আছেন, বলে জানা যায়।

এই প্রতিনিধির সঙ্গে কথা হলে জনপ্রিয়, সৎ, ত্যাগী আওয়ামীলীগ নেতা বশির আহম্মেদ বলেন- “জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন- ‘জাতীয় রিক্সা, ভ্যান শ্রমিক লীগ’ এর সঙ্গে জড়িত সকল মালিক শ্রমিকরা সব-সময়ই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মেনে চলার চেষ্টা করি। বর্তমানে জননেত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের পথে আছে, তাই আমরা গর্বিত।

আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন ক্ষুদ্র সৈনিক/কর্মী হিসেবে বলতে চাই যে, বিগত ২৫ বছর যাবৎ আমি অত্যন্ত সততার সহিত (পায়ে চালিত) রিক্সা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আমার এখানে সব সময়ই শ্রমিক/চালক মিলিয়ে প্রায় ২০০ লোকের কর্মসংস্থান। মোটামোটি ভাবে- প্রতিটি পরিবারে যদি ৫ জন করেও সদস্য থাকে, তাহলে মোট ১০০০ হাজার মানুষের জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে, এই রিক্সা ব্যবসার সঙ্গে আমি জড়িত থাকার কারণে।

গবেষনা মতে দেশব্যাপী রিক্সা শিল্পের সঙ্গে জড়িত (পরিবারের নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ, শিশুসহ) প্রতক্ষ/পরোক্ষ ভাবে- প্রায় কোটি মানুষের জীবন- জীবিকার ব্যবস্থা হচ্ছে। আমরা সৎ রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা সবসময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে সৎ ভাবে জীবিকা ও জীবন যাপন করে থাকি। আমি সব সময়ই (পায়ে চালিত) রিক্সায়- সরকারকে বৈধভাবে নিয়মিত রাজস্ব দিয়ে আসছি। বর্তমানে স্মার্ট বাংলাদেশের অংশ হিসেবে রিক্সা চালক/শ্রমিক ভাইদের প্রাণের দাবী- (ব্যাটারী চালিত) রিক্সা’কে বৈধতা দেওয়া, যা এখন আধুনিক স্মার্ট বাংলাদেশেরই একটি অংশ হিসাবে রিক্সা চালক ও শ্রমিকরা মনে করে থাকেন।

বিগত প্রায় ৮ বছর যাবৎ দেশ ব্যাপী বেকার সমস্যার সমাধানে ও যাত্রী চাহিদার কারনে চলছে ব্যাটারী রিক্সা। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আনুমানিক প্রায় লক্ষাধীক ব্যাটারী রিক্সা চলাচল করছে, অথচ বৈধতা না থাকার কারনে সরকার পাচ্ছে না রাজস্ব। আমরা বলতে চাই যে, ‘পায়ের রিক্সার তুলনায়’ অধিক গুন বেশি রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে ব্যাটারী চালিত রিক্সাকে- সরকার যেন বৈধতা দেয়। এতে করে সরকারের অনেক রাজস্ব বাড়বে। উক্ত (বাড়তি) রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে, দেশের উন্নয়নের অনেক সহযোগী হবে। আমরা সরকারী নিয়ম নীতি মেনেই- সীমিত গতিতে, বিশ্বরোড বা মহাসড়ক পরিহার করে শুধুমাত্র ছোট ও শাখা রাস্তায় চলাচলের মাধ্যমে- বৈধতার জন্য সরকারের কাছে আন্তারিকভাবে দাবী জানাচ্ছি। বৈধতা দেওয়ার পরে প্রয়োজনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন গুলোতে- মূল সড়কগুলোকে যানযট মুক্ত রাখতে, অবৈধ রিক্সা চলাচল বিরত রাখতে, ব্যাটারী রিক্সা চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার বন্ধে- প্রয়োজনে মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড কমিটি (অভিজ্ঞ রিক্সা মালিক ও শ্রমিকদের মাধ্যমে) করে দিলেও (তদারকির মাধ্যমে) হয়তো বা – পরিপূর্ণ ভাবে রাজস্ব আদায় হবে এবং ব্যাটারী রিক্সা চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় থাকবে বলে, আশা করা যায়। কারণ মানুষ হয়ে মানুষকে বহন করা এবং টেনে নেওয়া অত্যন্ত অমানবিক।

এমনকি উক্ত ব্যাটারী রিক্সা- বেকার সমস্যা সমাধানে এবং যাত্রী চাহিদার কারণে দেশব্যাপী এবং ঢাকা সিটিতে সবসময়ই, বাণিজ্যিক বিদ্যু ইউনিট হিসাবে ব্যাটারী রিক্সা চার্জ দেওয়া হয় এবং প্রত্যেক মাসেই সরকারকে আমারা বানিজ্যিক বিদ্যুৎ ইউনিট- হিসাবেই, বিল নিয়মিত ভাবে পরিশোধ করে থাকি। আমরা আরো বলতে চাই যে- কোন ব্যক্তি, বর্গ, প্রতিষ্ঠান যদি ‘কোথাও কোনো সময়’ অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হক।

কিন্তু- আমি (বশির) বাড্ডা এলাকার ক্ষুদ্র একজন রিক্সা ব্যবসায়ী মাত্র এবং আমি সব সময়ই অত্যন্ত সততার সঙ্গে রাজনীতি ও ব্যবসা করে যাওয়ার চেষ্টা করেছি, করি এবং করব ইনশাল্লাহ। শ্রমিক বান্ধব জননেত্রী (মমতাময়ী মা) শেখ হাসিনার কাছে আমার সকল রিক্সা চালক (শ্রমিক) দের পক্ষ থেকে- নমনীয় ভাবে দাবি জানাচ্ছি যে, ব্যাটারী চালিত রিক্সাকে (মানবিক কারণেই) বৈধতা দিন এবং (পায়ের রিক্সা তুলনায়) অধিক গুণ বেশী রাজস্ব নিন, এতে করে অতিরিক্ত বাড়তি রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে, দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে – অনেকটাই সহযোগী হবে। আমরা সবসময়ই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার সৎ, আদর্শ সৈনিক/কর্মী হিসাবে দায়িত্বশীল ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

আমি (বশির) আবারো বলতে চাই যে- আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, অতীতের মতোই দেশ বাসী পুনরায়- বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার সুযোগ দিবে, ইনশাল্লাহ। সবশেষে সকলের প্রতি রইল মহান মে দিবস এর রক্তিম শুভেচ্ছা”।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জননেত্রী শেখ হাসিনা নেত্রীর অক্লান্ত পরিশ্রমে স্মার্ট বাংলাদেশ দৃশ্য মানের অগ্রযাত্রায় : বশির আহম্মেদ

আপডেট : ১২:২১:০৩ অপরাহ্ন, সোমাবার, ১ মে ২০২৩

বশির আহম্মেদ, (সাংগঠনিক সম্পাদক- ১নং ইউনিট) ৩৭নং ওয়ার্ড, আওয়ামীলীগ ঢাকা মহানগর উত্তর। তিনি (বশির) বিগত বহু বৎসর যাবৎ, আওয়ামীলীগের বিভিন্ন কার্যক্রমে দায়িত্বশীল ভাবে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আন্তরিক ভাবে, কাজ করে যাচ্ছেন বলে- জানা যায়।

তিনি (বশির) পারিবারিক ভাবে ছোট বেলা থেকেই, আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার পিতা- মরহুম আব্দুল লতিফ খলিফা ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে (জীবন বাজি রেখে) মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

তিনি (বশির) সব সময় আওয়ামীলীগের সকল মিটিং, মিছিল, আন্দোলন সংগ্রামে- নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন। এমনকি, তিনি (বশির) সব সময়ই উক্ত ৩৭নং ওর্য়াডের গরীব দুঃখী অসহায়দের নিজের সাধ্যমত সহযোগীতা করে আসছেন। এবং উক্ত ৩৭নং ওয়ার্ডের সমাজ কল্যাণ মূলক বিভিন্ন কর্ম-কান্ডে তিনি (বশির) জড়িত আছেন, বলে জানা যায়।

এই প্রতিনিধির সঙ্গে কথা হলে জনপ্রিয়, সৎ, ত্যাগী আওয়ামীলীগ নেতা বশির আহম্মেদ বলেন- “জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন- ‘জাতীয় রিক্সা, ভ্যান শ্রমিক লীগ’ এর সঙ্গে জড়িত সকল মালিক শ্রমিকরা সব-সময়ই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মেনে চলার চেষ্টা করি। বর্তমানে জননেত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের পথে আছে, তাই আমরা গর্বিত।

আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন ক্ষুদ্র সৈনিক/কর্মী হিসেবে বলতে চাই যে, বিগত ২৫ বছর যাবৎ আমি অত্যন্ত সততার সহিত (পায়ে চালিত) রিক্সা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আমার এখানে সব সময়ই শ্রমিক/চালক মিলিয়ে প্রায় ২০০ লোকের কর্মসংস্থান। মোটামোটি ভাবে- প্রতিটি পরিবারে যদি ৫ জন করেও সদস্য থাকে, তাহলে মোট ১০০০ হাজার মানুষের জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে, এই রিক্সা ব্যবসার সঙ্গে আমি জড়িত থাকার কারণে।

গবেষনা মতে দেশব্যাপী রিক্সা শিল্পের সঙ্গে জড়িত (পরিবারের নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ, শিশুসহ) প্রতক্ষ/পরোক্ষ ভাবে- প্রায় কোটি মানুষের জীবন- জীবিকার ব্যবস্থা হচ্ছে। আমরা সৎ রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা সবসময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে সৎ ভাবে জীবিকা ও জীবন যাপন করে থাকি। আমি সব সময়ই (পায়ে চালিত) রিক্সায়- সরকারকে বৈধভাবে নিয়মিত রাজস্ব দিয়ে আসছি। বর্তমানে স্মার্ট বাংলাদেশের অংশ হিসেবে রিক্সা চালক/শ্রমিক ভাইদের প্রাণের দাবী- (ব্যাটারী চালিত) রিক্সা’কে বৈধতা দেওয়া, যা এখন আধুনিক স্মার্ট বাংলাদেশেরই একটি অংশ হিসাবে রিক্সা চালক ও শ্রমিকরা মনে করে থাকেন।

বিগত প্রায় ৮ বছর যাবৎ দেশ ব্যাপী বেকার সমস্যার সমাধানে ও যাত্রী চাহিদার কারনে চলছে ব্যাটারী রিক্সা। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আনুমানিক প্রায় লক্ষাধীক ব্যাটারী রিক্সা চলাচল করছে, অথচ বৈধতা না থাকার কারনে সরকার পাচ্ছে না রাজস্ব। আমরা বলতে চাই যে, ‘পায়ের রিক্সার তুলনায়’ অধিক গুন বেশি রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে ব্যাটারী চালিত রিক্সাকে- সরকার যেন বৈধতা দেয়। এতে করে সরকারের অনেক রাজস্ব বাড়বে। উক্ত (বাড়তি) রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে, দেশের উন্নয়নের অনেক সহযোগী হবে। আমরা সরকারী নিয়ম নীতি মেনেই- সীমিত গতিতে, বিশ্বরোড বা মহাসড়ক পরিহার করে শুধুমাত্র ছোট ও শাখা রাস্তায় চলাচলের মাধ্যমে- বৈধতার জন্য সরকারের কাছে আন্তারিকভাবে দাবী জানাচ্ছি। বৈধতা দেওয়ার পরে প্রয়োজনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন গুলোতে- মূল সড়কগুলোকে যানযট মুক্ত রাখতে, অবৈধ রিক্সা চলাচল বিরত রাখতে, ব্যাটারী রিক্সা চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার বন্ধে- প্রয়োজনে মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড কমিটি (অভিজ্ঞ রিক্সা মালিক ও শ্রমিকদের মাধ্যমে) করে দিলেও (তদারকির মাধ্যমে) হয়তো বা – পরিপূর্ণ ভাবে রাজস্ব আদায় হবে এবং ব্যাটারী রিক্সা চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় থাকবে বলে, আশা করা যায়। কারণ মানুষ হয়ে মানুষকে বহন করা এবং টেনে নেওয়া অত্যন্ত অমানবিক।

এমনকি উক্ত ব্যাটারী রিক্সা- বেকার সমস্যা সমাধানে এবং যাত্রী চাহিদার কারণে দেশব্যাপী এবং ঢাকা সিটিতে সবসময়ই, বাণিজ্যিক বিদ্যু ইউনিট হিসাবে ব্যাটারী রিক্সা চার্জ দেওয়া হয় এবং প্রত্যেক মাসেই সরকারকে আমারা বানিজ্যিক বিদ্যুৎ ইউনিট- হিসাবেই, বিল নিয়মিত ভাবে পরিশোধ করে থাকি। আমরা আরো বলতে চাই যে- কোন ব্যক্তি, বর্গ, প্রতিষ্ঠান যদি ‘কোথাও কোনো সময়’ অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হক।

কিন্তু- আমি (বশির) বাড্ডা এলাকার ক্ষুদ্র একজন রিক্সা ব্যবসায়ী মাত্র এবং আমি সব সময়ই অত্যন্ত সততার সঙ্গে রাজনীতি ও ব্যবসা করে যাওয়ার চেষ্টা করেছি, করি এবং করব ইনশাল্লাহ। শ্রমিক বান্ধব জননেত্রী (মমতাময়ী মা) শেখ হাসিনার কাছে আমার সকল রিক্সা চালক (শ্রমিক) দের পক্ষ থেকে- নমনীয় ভাবে দাবি জানাচ্ছি যে, ব্যাটারী চালিত রিক্সাকে (মানবিক কারণেই) বৈধতা দিন এবং (পায়ের রিক্সা তুলনায়) অধিক গুণ বেশী রাজস্ব নিন, এতে করে অতিরিক্ত বাড়তি রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে, দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে – অনেকটাই সহযোগী হবে। আমরা সবসময়ই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার সৎ, আদর্শ সৈনিক/কর্মী হিসাবে দায়িত্বশীল ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

আমি (বশির) আবারো বলতে চাই যে- আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, অতীতের মতোই দেশ বাসী পুনরায়- বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার সুযোগ দিবে, ইনশাল্লাহ। সবশেষে সকলের প্রতি রইল মহান মে দিবস এর রক্তিম শুভেচ্ছা”।