ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বেমালুম গিলে খেয়ে ফেলেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৪:২৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩
  • / 22
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে সেই চেতনাকে তারা বেমালুম গিলে খেয়ে ফেলেছে। নষ্ট করে ফেলেছে। ধ্বংস করে ফেলেছে।

শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিলো একটা মুক্ত সমাজ, একটা গণতান্ত্রিক সমাজ। সেই লক্ষ্যেই আমরা সংগ্রাম করছি। সেই সংগ্রামে ইতিমধ্যে আমাদের ১৫ জন নেতাকর্মী শাহাদাৎ বরণ করেছেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের বড় ব্যর্থতা তারা এদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে৷ দূর্নীতিতে খেয়ে ফেলেছে। বিচারবিভাগকে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিচ্ছে না৷ এবং সব জায়গায় দলীয়করণ করে ফেলেছে। এ অবস্থায় বিএনপিসহ অনান্য রাজনৈতিক দলগুলো ১০ দফা কর্মসূচি পালন করছে৷ পুরো জাতি আজকে এই ১০ দফা পালনে নেমে পরেছে।

আওয়ামী লীগের নির্যাতনের মাত্রা যত বাড়ছে মানুষ তত দৃঢ় হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই ১০ দফার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। প্রতিদিন অত্যাচার নির্যাতন মাত্রা বাড়ছে। যত বাড়ছে নির্যাতনের মাত্রা তত মানুষ আরও দৃঢ় হচ্ছেন৷ শক্ত হচ্ছেন। দৃঢ়তার সঙ্গে এই ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে রাজপথে নামছে।

যৌথ সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আবদুস সালাম আজাদ, যুব দলের আবদুল মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের এসএম জিলানী, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, শহিদুল ইসলাম বাবুল, ছাত্র দলের কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ও সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বেমালুম গিলে খেয়ে ফেলেছে

আপডেট : ০৪:২৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে সেই চেতনাকে তারা বেমালুম গিলে খেয়ে ফেলেছে। নষ্ট করে ফেলেছে। ধ্বংস করে ফেলেছে।

শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিলো একটা মুক্ত সমাজ, একটা গণতান্ত্রিক সমাজ। সেই লক্ষ্যেই আমরা সংগ্রাম করছি। সেই সংগ্রামে ইতিমধ্যে আমাদের ১৫ জন নেতাকর্মী শাহাদাৎ বরণ করেছেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের বড় ব্যর্থতা তারা এদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে৷ দূর্নীতিতে খেয়ে ফেলেছে। বিচারবিভাগকে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিচ্ছে না৷ এবং সব জায়গায় দলীয়করণ করে ফেলেছে। এ অবস্থায় বিএনপিসহ অনান্য রাজনৈতিক দলগুলো ১০ দফা কর্মসূচি পালন করছে৷ পুরো জাতি আজকে এই ১০ দফা পালনে নেমে পরেছে।

আওয়ামী লীগের নির্যাতনের মাত্রা যত বাড়ছে মানুষ তত দৃঢ় হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই ১০ দফার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। প্রতিদিন অত্যাচার নির্যাতন মাত্রা বাড়ছে। যত বাড়ছে নির্যাতনের মাত্রা তত মানুষ আরও দৃঢ় হচ্ছেন৷ শক্ত হচ্ছেন। দৃঢ়তার সঙ্গে এই ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে রাজপথে নামছে।

যৌথ সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আবদুস সালাম আজাদ, যুব দলের আবদুল মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের এসএম জিলানী, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, শহিদুল ইসলাম বাবুল, ছাত্র দলের কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ও সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।