২১ সেপ্টেম্বর থেকে নির্বাহী কমিটির সভা  

অনলাইন ডেস্ক;
  • প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১:২৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১ মাস আগে

বিএনপি

দলের ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে এবার ২১, ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর দলটির নির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবে বিএনপি।

রোববার বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি জানান, বৈঠকে গক ১৪ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বিএনপি কার্যনির্বাহী কমিটির ধারাবাহিক সভায় মতবিনিময় অংশগ্রহনকারী নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানানো হয়। একই সাথে অবশিষ্ট সদস্যদের সঙ্গে আগামী ২১, ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর মতবিনিময় সভা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, বৈঠকে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি, মুক্তিযুদ্ধ, ৭৫-এর পটপরিবর্তন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং তার সমাধি সম্পর্কে যে লাগাতার মিথ্যাচার করে চলেছেন তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, জনগণকে বিভ্রান্ত করবার লক্ষ্যে অবৈধ মিথ্যা তথ্য সংসদে উপস্থাপন করে তিনি মূলত জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে দৃষ্টির আড়ালে রাখার একটি ষড়যন্ত্র করছেন।

তিনি বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা মনে করেন, ইতিহাস বিকৃত করে জনগণকে প্রতারণা করা হচ্ছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের বিরুদ্ধে এই ধরনের বিকৃত অপপ্রচার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে চক্রান্ত ব্যতিত কিছু নয়। এই ধরনের নিকৃষ্ট মিথ্যাচার থেকে বিরত থাকবার আহ্বান জানানো হয় বৈঠকে।

প্রস্তাবিত ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া সরকারি ওয়েব সাইটে প্রকাশে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ফখরুল বলেন, এই ধরনের আইন ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার কথা বলে নাগরিকের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার হরণ করবার আরেকটি চক্রান্ত। এই আইন গণতন্ত্রের জন্য একটি বড় ধরণের হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। জনগণের ব্যক্তিগত অধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

সংসদে ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু রাখার জন্য প্রণীত বিশেষ আইনের মেয়াদ আরও পাঁচ বৎসর বাড়িয়ে বিল পাশ করানোর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েয়ে তিনি বলেন, ভাড়া ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো স্থাপন করা হয়েছিলো শুধুমাত্র আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীর লুণ্ঠনের স্বার্থে। এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সকল কর্মকান্ডকে ইনডেমিনিটি আইন পাশ করে যথেচ্ছা দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছিলো এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন না করলেও ভাড়া প্রদানের ফলে জনগণের ট্যাক্সের টাকার বিশাল অংশ আওয়ামী দুর্নীতিবাজদের পকেটে গেছে জনগণের পকেট কেটে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রত্যেক বৎসর কয়েক দফা করে বিদ্যুৎতের দাম বাড়িয়ে জনগণের চরম আর্থিক লোকসান করা হয়েছে। নতুন করে পাঁচ বৎসর এই বিশেষ আইনের মেয়াদ বাড়িয়ে লুঠপাটের ব্যবস্থা আরও দীর্ঘায়িত করা হলো। অবিলম্বে এই বিল বাতিল করার আহ্বান জানাচ্ছি।

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...