ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর বর্ণনায় ইউক্রেন যুদ্ধ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১ বার পড়া হয়েছে
ইউক্রেনের সময় ভোর পাঁচটায় বিকট একটা বোমার শব্দে ঘুম ভাঙে মারিয়োপোল শহরে বাংলাদেশি ছাত্র আহমেদ ফাতেমি রুমির। শহরের বিভিন্ন দিক থেকে আনুমানিক আটটি বা ১০টি হামলা হয়েছে বলে তারা শুনছেন।

মাত্র দুমাস আগে বাংলাদেশ থেকে সেখানে মারিয়োপোল স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অর্থনীতি পড়তে গেছেন রুমি। তারা ভয়ের মধ্যে আছেন বলে বিবিসি বাংলাকে তিনি জানিয়েছেন।

আহমেদ ফাতেমি রুমি বলেন, ‘ইউক্রেন সরকার আইন জারি করে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাওয়া নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। ফলে ইচ্ছা করলেও আমি এখান থেকে মুভ করতে পারছি না।’

তিনি জানান, বাজার দোকান, শপিং মল আর ব্যাংকে বিপুল সংখ্যক মানুষের ভিড় এবং আতঙ্কিত মানুষ মজুত করার জন্য শুকনো খাবার কিনতে শুরু করেছেন। তবে রাস্তাঘাটে অন্য সময়ের তুলনায় মানুষ অনেক কম বলে তিনি জানাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রতিটা এটিএম বুথের সামনে কম করে হলেও ৬০ থেকে ১০০ জন মানুষ লাইন দিয়ে আছে এবং টাকা তুলছে।’

মারিয়োপোল শহরের রাস্তায় লোকজনের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। ছবি: বিবিসি

আহমেদ ফাতেমি রুমি জানাচ্ছেন, তার বিশ্ববিদ্যালয় সকাল ১০টার পর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

তিনি মারিয়োপোল ছেড়ে নিরাপদ কোন শহরে যাবার জন্য রেল স্টেশন ও বাস স্টপে দৌড়াদৌড়ি করছেন সকাল থেকে। কিন্তু শহর ছাড়তে তিনি এখনও সফল হননি বলে জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ থেকে ১২ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রয়েছে বলে তিনি জানান।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর বর্ণনায় ইউক্রেন যুদ্ধ

আপডেট সময় : ০৭:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২
ইউক্রেনের সময় ভোর পাঁচটায় বিকট একটা বোমার শব্দে ঘুম ভাঙে মারিয়োপোল শহরে বাংলাদেশি ছাত্র আহমেদ ফাতেমি রুমির। শহরের বিভিন্ন দিক থেকে আনুমানিক আটটি বা ১০টি হামলা হয়েছে বলে তারা শুনছেন।

মাত্র দুমাস আগে বাংলাদেশ থেকে সেখানে মারিয়োপোল স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অর্থনীতি পড়তে গেছেন রুমি। তারা ভয়ের মধ্যে আছেন বলে বিবিসি বাংলাকে তিনি জানিয়েছেন।

আহমেদ ফাতেমি রুমি বলেন, ‘ইউক্রেন সরকার আইন জারি করে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাওয়া নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। ফলে ইচ্ছা করলেও আমি এখান থেকে মুভ করতে পারছি না।’

তিনি জানান, বাজার দোকান, শপিং মল আর ব্যাংকে বিপুল সংখ্যক মানুষের ভিড় এবং আতঙ্কিত মানুষ মজুত করার জন্য শুকনো খাবার কিনতে শুরু করেছেন। তবে রাস্তাঘাটে অন্য সময়ের তুলনায় মানুষ অনেক কম বলে তিনি জানাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রতিটা এটিএম বুথের সামনে কম করে হলেও ৬০ থেকে ১০০ জন মানুষ লাইন দিয়ে আছে এবং টাকা তুলছে।’

মারিয়োপোল শহরের রাস্তায় লোকজনের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। ছবি: বিবিসি

আহমেদ ফাতেমি রুমি জানাচ্ছেন, তার বিশ্ববিদ্যালয় সকাল ১০টার পর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

তিনি মারিয়োপোল ছেড়ে নিরাপদ কোন শহরে যাবার জন্য রেল স্টেশন ও বাস স্টপে দৌড়াদৌড়ি করছেন সকাল থেকে। কিন্তু শহর ছাড়তে তিনি এখনও সফল হননি বলে জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ থেকে ১২ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রয়েছে বলে তিনি জানান।