ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাজায় মানবিক সাহায্য আরও দ্রুত পাঠানোর আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট : ০৩:২৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪
  • / 139
গাজায় মানবিক সাহায্য আরও দ্রুত পাঠানো প্রয়োজন উল্লেখ করে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক বলেছেন, রাফা সীমান্ত দিয়ে যে ট্রাকগুলো গাজায় মানবিক সাহায্য নিয়ে ঢোকে সেগুলোতে তিনবার তল্লাশি চালানো হয়। সমস্ত জিনিস নামিয়ে দেখা হয়। যেভাবেই হোক এই প্রক্রিয়ার গতি বাড়াতে হবে।

স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) ইসরায়েল-গাজা সীমান্ত কেরেম শালোম পরিদর্শনে গিয়ে এ মন্তব্য করেন বেয়ারবক। খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর।

‘গাজার পরিস্থিতি নারকীয়’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দ্রুত সীমান্ত খুলে দিতে হবে এবং আরও অনেক বেশি পরিমাণে মানবিক সাহায্য পাঠাতে হবে।’, এছাড়া ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামে জার্মানি বরাদ্দ বাড়িয়েছে বলেও জানান তিনি।জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত এক কোটি ইউরো দেওয়া হয়েছে গাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। বেয়ারবক জানিয়েছেন, মিশর এবং ইসরায়েল দুই তরফই তাকে ট্রাক কীভাবে গাজায় ঢোকে সে বিষয়ে তথ্য দিয়েছে। বস্তুত, তিনিই প্রথম বিদেশি মন্ত্রী যাকে ইসরায়েল কেরেম শালোম পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি দিলো। তাকে দেখানো হয়েছে, কীভাবে প্রতিদিন ১২০টি ট্রাকে মানবিক সাহায্য বোঝাই করে গাজায় পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবরের ঘটনার আগে গাজায় প্রতিদিন ৫০০ ট্রাক নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে যেত। তার মধ্যে ৩০০ ট্রাক যেত কেরেম শালোমের সীমান্ত দিয়ে। তা কমে এখন ১২০টি ট্রাকে এসে দাঁড়িয়েছে।

ইসরায়েল জানিয়েছে, প্রতি ঘণ্টায় ১২টি ট্রাক সীমান্ত পার করে। ইসরায়েল সীমান্তে দুইটি স্ক্যানারে এই ট্রাকগুলোকে পরীক্ষা করা হয়। দেখা হয়, জিনিসের সঙ্গে বন্দুক, গুলি ইত্যাদি জিনিস পাঠানো হচ্ছে কি না।

তবে, এদিকে সংবাদসংস্থা ডিপিএ ইসরায়েল প্রতিনিধিদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এ সীমান্ত দিয়ে আরো ট্রাক পারাপার করা সম্ভব। কিন্তু ট্রাক চালানোর জন্য যথেষ্ট ফিলিস্তিনি চালক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গাজায় মানবিক সাহায্য আরও দ্রুত পাঠানোর আহ্বান

আপডেট : ০৩:২৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪
গাজায় মানবিক সাহায্য আরও দ্রুত পাঠানো প্রয়োজন উল্লেখ করে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক বলেছেন, রাফা সীমান্ত দিয়ে যে ট্রাকগুলো গাজায় মানবিক সাহায্য নিয়ে ঢোকে সেগুলোতে তিনবার তল্লাশি চালানো হয়। সমস্ত জিনিস নামিয়ে দেখা হয়। যেভাবেই হোক এই প্রক্রিয়ার গতি বাড়াতে হবে।

স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) ইসরায়েল-গাজা সীমান্ত কেরেম শালোম পরিদর্শনে গিয়ে এ মন্তব্য করেন বেয়ারবক। খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর।

‘গাজার পরিস্থিতি নারকীয়’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দ্রুত সীমান্ত খুলে দিতে হবে এবং আরও অনেক বেশি পরিমাণে মানবিক সাহায্য পাঠাতে হবে।’, এছাড়া ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামে জার্মানি বরাদ্দ বাড়িয়েছে বলেও জানান তিনি।জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত এক কোটি ইউরো দেওয়া হয়েছে গাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। বেয়ারবক জানিয়েছেন, মিশর এবং ইসরায়েল দুই তরফই তাকে ট্রাক কীভাবে গাজায় ঢোকে সে বিষয়ে তথ্য দিয়েছে। বস্তুত, তিনিই প্রথম বিদেশি মন্ত্রী যাকে ইসরায়েল কেরেম শালোম পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি দিলো। তাকে দেখানো হয়েছে, কীভাবে প্রতিদিন ১২০টি ট্রাকে মানবিক সাহায্য বোঝাই করে গাজায় পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবরের ঘটনার আগে গাজায় প্রতিদিন ৫০০ ট্রাক নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে যেত। তার মধ্যে ৩০০ ট্রাক যেত কেরেম শালোমের সীমান্ত দিয়ে। তা কমে এখন ১২০টি ট্রাকে এসে দাঁড়িয়েছে।

ইসরায়েল জানিয়েছে, প্রতি ঘণ্টায় ১২টি ট্রাক সীমান্ত পার করে। ইসরায়েল সীমান্তে দুইটি স্ক্যানারে এই ট্রাকগুলোকে পরীক্ষা করা হয়। দেখা হয়, জিনিসের সঙ্গে বন্দুক, গুলি ইত্যাদি জিনিস পাঠানো হচ্ছে কি না।

তবে, এদিকে সংবাদসংস্থা ডিপিএ ইসরায়েল প্রতিনিধিদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এ সীমান্ত দিয়ে আরো ট্রাক পারাপার করা সম্ভব। কিন্তু ট্রাক চালানোর জন্য যথেষ্ট ফিলিস্তিনি চালক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।