অনলাইনে সুদের কারবার: রিমান্ড শেষে ৭ জন কারাগারে

অনলাইন ডেস্ক;
  • প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২১, ২:১৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২ সপ্তাহ আগে

ছবি সংগৃহীত

অ্যাপসভিত্তিক ডিজিটাল মাইক্রোফাইন্যান্সের নামে অবৈধ সুদের ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে দুই দিনের রিমান্ড শেষে ৭ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এদের মধ্যে দুইজন চীনা নাগরিক রয়েছেন।

সোমবার ধানমণ্ডি থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা মো. এশারত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ধানমণ্ডি থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় রিমান্ড শেষে সোমবার আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। আদালতে আসামিদের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা জামিনের আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন- চীনের নাগরিক হি মিংশি ও ইয়াং সিকি, মজুমদার ফজলে গোফরান, আহসান কামাল, হিমেল অর রশিদ, নাজমুস সাকিব ও জেরিন তাসনিম বিনতে ইসলাম।

এর আগে গত ৮ অক্টোবর আসামিদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এ মামলায় ইমানুয়েল এডয়োর্ড গোমেজ, আরিফুজ্জামান, শাহিনুর আলম, শুভ গোমেজ ও আকরাম আলী নামে আরও ৫ আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আসামিরা সরকারি অনুমোদন ব্যতীত থান্ডার লাইট টেকনোলজি লিমিটেড, নিউ ভিশন ফিনটেক লিমিটেড ও বেসিক ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নামে আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। কোন আইনগত অনুমোদন ছাড়াই তারা গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ করেছে। গ্রেপ্তাররা অনলাইন অ্যাপস যেমন-টাকাওয়ালা (পার্সোনাল লোনস অনলাইন), র‍্যাপিডক্যাশ, আমার ক্যাশসহ আরও অনেক অ্যাপের মাধ্যমে জামানতবিহীন লোন দেয়ার নামে চলে মাত্রাতিরিক্ত সুদের কারবার। এ সকল অ্যাপসগুলোর সার্ভার চায়নাতে অবস্থিত এবং যেগুলো মূলত চায়না থেকে পরিচালিত হয়।

কিছু চাইনিজ নাগরিক বাংলাদেশি নাগরিকের সহায়তায় অ্যাপসগুলোর মাধ্যমে জামানতবিহীন স্বল্প সুদে লোন প্রদান করার নামে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গ্রাহক আকৃষ্ট করে। তাদের বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে গ্রাহকরা লোন গ্রহণ করার পর স্বল্প সুদের পরিবর্তে উচ্চহারে সুদ প্রদানের মাধ্যমে প্রতারিত হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...