সাভার তুরাগ নদীর পাড় হতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রশস্ত্রসহ ৫ ডাকাত গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক;
  • প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২১, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ৬ দিন আগে

ছবি সংগৃহীত

সাভার থানাধীন তুরাগ নদীর পাড় হতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রশস্ত্রসহ ৫ জন ডাকাত গ্রেফতার করছে র‌্যাব-৪।
রবিবার (২১ নভেম্বর) র‌্যাব-৪ এর এএসপি (মিডিয়া) মাজহারুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব-৪ এর দেওয়া তথ্য মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সাভার থনাধীন এলাকায় জলদস্যু, ভূমিদস্যু ও ডাকাত দল কর্তৃক সাধারণ মানুষের জীবন নাশের হুমকি প্রদান, ডাকাতির চেষ্টা, চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া যায়। একাধিক ভুক্তভোগী নিকট থেকে অভিযোগ এবং এ সংক্রান্তে একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত গ্রুপ সদস্যদের নাম ও তাদের কর্মকান্ড সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।

সুনির্দিষ্টভাবে একাধিক ভুক্তভোগীর নিকট হতে ট্রলার ছিনতাইসহ হত্যার হুমকি ও ডাকাতির অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগ প্রাপ্তির পর উক্ত ডাকাত গ্রুপ সম্পর্কে র‌্যাব-৪ তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে। গোপনীয় ও স্থানীয় তদন্তে উক্ত ডাকাত দলের কর্মকান্ড ও অবস্থান সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়।

জানা যায়, র‌্যাব-৪ এর অভিযানে সাভার থানাধীন বড় বরদেশী মৌজায় তুরাগ নদীর পাড়ে ব্যাবিলনিয় সিটির কাশ বনের মাঝে টিনের ছাপড়া ঘরে ডাকাত গ্রুপের সংঘটিত হওয়ার সংবাদ পাওয়া যায়।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে র‌্যাব-৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল (২০ নভেম্বর) ও (২১ নভেম্বর) ভোর ২টার দিকে বিশেষ এক অভিযান পরিচালনা করে ১ টি পিস্তল সদৃশ্য উন্নত মানের পাইপগান, ২ টি দেশীয় তৈরি পাইপ গান, ১ রাউন্ড শটগানের কার্তুজ, ২ টি বড় রামদা, ৩ টি বড় চাপাতি, পাইপগান তৈরির সরঞ্জামাদি, ১ টি কাঁচি, ১ টি লোহার পাইপ, ৪ টি লোহার রড এবং ৭ টি মোবাইলসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়া সংঘবদ্ধ ডাকাত গ্রুপের নিন্মোক্ত পাঁচ সদস্য’কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-মো. রাসেল মিয়া (২৩), মো. আইয়ুব আলী (২৩), মো. সুমন মিয়া (২৭), মো. আবু হানিফ মিয়া (৪০), মো. সুমন (৩৫)।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব-৪ এর এএসপি (মিডিয়া) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামীরা সংঘবদ্ধ দুর্র্ধষ ডাকাত চক্র। আসামীরা দীর্ঘদিন যাবৎ ৮-১০ জনের দলবদ্ধ হয়ে ঢাকা জেলার সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের বিভিন্নস্থানে রাতের অন্ধকারে যানবাহনে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ টাকা, মোবাইল, স্বর্ণালঙ্কার প্রভৃতি ডাকাতি করে আসছিলো এবং ক্ষেত্রবিশেষে ভূক্তভোগীদেরকে তারা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত ও জখম করতো।’

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্রমামলাসহ চাঁদাবাজীর মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন বলে জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...