শুভানুধ্যায়ীদের ধন্যবাদ জানালেন সায়নী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;
  • প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২১, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ৪ দিন আগে

সায়নী ঘোষ।

তাকে নিয়ে গত দু’দিন ধরে উত্তপ্ত ছিল কলকাতা, আগরতলা- এমনকি নয়া দিল্লিও। কলকাতায় মোমবাতি হাতে পথে নেমেছেন বুদ্ধিজীবীরা। আগরতলায় পৌঁছে গেছেন স্বয়ং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি দাঁড়িয়ে থেকে জামিনের তদারকি করেছেন। দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র বাড়ির সামনে টানা ধর্নায় (অবস্থান ধর্মঘট) বসেছেন দলের সংসদ সদস্যরা। বুধবার প্রত্যেককে তার পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানালেন তৃণমূলের যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ। খবর আনন্দবাজার অনলাইনের।

ফেসবুকে শুভানুধ্যায়ীদের উদ্দেশে লিখলেন, ‘সকলের প্রার্থনায়, ভালবাসায় আজ আরও উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার সাহস পেলাম, এটুকু বলতে পারি।’

গত রোববার ত্রিপুরা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার বিকেলে রাজ্যে ফেরেন সায়নী। বিমানবন্দরে নেমেই বলেছিলেন, দলের কাছে তিনি কৃতজ্ঞ।

বুধবার ফেসবুকেও লিখেছেন, তাদের কাছে কৃতজ্ঞ যারা বিজেপি-র এই স্বৈরাচারে আহত হয়েও হার মেনে নেননি! ফেসবুকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের লেখাটির সঙ্গে নিজের একটি ছবি দিয়েছেন সায়নী। তার নীল পাড় সাদা শাড়িতে মমতার ছবি দেওয়া ব্যাজ।

সায়নী লিখেছেন, ‘একান্ত ধন্যবাদ জানাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাদের সহযোগিতা আমার এগিয়ে চলার সাহস। ধন্যবাদ জানাই আমার প্রত্যেক বিধায়ক, সংসদ সদস্য, আমার সহকর্মীবৃন্দ, আমাদের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দকে, যারা জেলায় জেলায় আমার সমর্থনে পথে নেমেছেন।’

ত্রিপুরার পৌরভোটে তৃণমূলের হয়ে প্রচার করতে গিয়ে রোববার আগরতলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল সায়নীকে। প্রায় ২৪ ঘণ্টা লক-আপে থাকার পর সোমবার সন্ধ্যায় আগরতলার আদালতে জামিন পান তিনি।

সায়নীর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ ছিল। এমনকি, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের উদ্দেশে কুরূচিকর মন্তব্যেরও অভিযোগ এনেছিল পুলিশ। সায়নীকে দু’দিনের জন্য হেফাজতে চেয়ে পুলিশ আদালতে আবেদন করে। কিন্তু আদালত সেই আর্জি খারিজ করে দেয়।

সোমবার সন্ধ্যায় জামিন পাওয়ার পর সায়নী বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রমাণিত। আদালতের প্রতি বিশ্বাস ছিল। এটা সত্যের জয়।’

ফেসবুকে স্ট্যাটাসের সঙ্গে এই ছবি শেয়ার করেন সায়নী ঘোষ।

বুধবার তৃণমূল যুবনেত্রী ফেসবুকেও লিখেন, ‘অগণতান্ত্রিকভাবে মা মাটি মানুষের আত্মসম্মানে আঘাত করতে চেয়েছিল যারা, তারা আসলে বোঝেনি আমাদের লড়াই এত সহজে দমিয়ে দেয়া যায় না, যায়নি অতীতে, যাবে না ভবিষ্যতেও!’ তবে তৃণমূলের লড়াইয়ে নিজের ভূমিকা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সায়নী লিখেছেন, ‘আমি মশাল ধরেছি শুধু।’

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...