ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মামলা-গ্রেপ্তার করে গণসমাবেশ দমানো যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৫:৪৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমাবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২২
  • / 27
মামলা, হামলা ও গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে ১০ ডিসেম্বর গণসমাবেশ দমানো যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

তিনি বলেন, ঢাকা বিভাগীয় গণ সমাবেশের পূর্বে মামলা, হামলা ও গ্রেপ্তার করে একটি ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় সরকার। কিন্তু বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ভীত নয়। যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস মোকাবিলা করে আমরা আমাদের সমাবেশ সফল করবো ইনশাআল্লাহ।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, সাম্প্রতিক নয়াপল্টন পার্টি অফিসের সামনে ককটেল ফাটিয়েছিল (৩ ডিসেম্বর) এবং এই ধরনের কাজগুলো সরকার নিজে থেকে ঘোষণা দিয়েছিল, যে সন্ত্রাস হবে সন্ত্রাস হবে। দেশবাসীকে অবগত করতে চাই আমরা একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করব। এই সমাবেশে আমাদের পরবর্তী কার্যক্রম হয়তো ঘোষণা আসতে পারে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, সমাবেশ সফল করার জন্য যে কাজগুলো করা দরকার তা করতে পারবো না এরকম কোন নিষেধাজ্ঞা তো সরকার দেয়নি। তারপরও আমাদের নেতৃবৃন্দ রাত্রে বাসায় থাকতে পারছে না। গণসমাবেশ সফল করার জন্য প্রচারণায় হামলা করা হচ্ছে। সরকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে আমাদের সাথে, আর তারা বারবার বলছে বিএনপি সন্ত্রাস করে। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করব সেখানে আমরা সন্ত্রাস করতে যাব কেন।

সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা কেন সন্ত্রাস করতে যাব সেটা আমাদের মাথায় আসছে না।

তিনি বলেন, গতকাল ইঞ্জিনিয়ার ইসরাকের উপর হামলা চালিয়ে তারা প্রমাণ করেছে, যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম তারাই করছে। আমার বাসায় সকালে একটি কর্মীসভা করার কথা ছিল। যেখানে আমি কথা বলে একটি দিক নির্দেশনা দেব শান্তিপূর্ণ সমাবেশের বিষয়ে। সেটা আমাদের করতে দেয়া হয়নি। বাড়ির চারদিকে সিভিল এবং পোশাকধারী পুলিশ ঘিরে ফেলল।

“আমাদের সিদ্ধান্ত রয়েছে পল্টনেই সমাবেশ করব। তারপর আমরা সরকারের বিবেচনায় ছেড়েছি, আশা করবো তারা বিবেচনা করবেন এবং আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে কোন বাধার চেষ্টা করবে না।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং তুরাগ নদীর তীর ব্যতীত রাজধানীর মধ্যে সন্তোষজনক আমরা যেটা নিরাপত্তা মনে করবো সেরকম স্থান যদি তারা আমাদের বলে তাহলে আমরা চিন্তা করে দেখব। যদি না পারে তাহলে আমাদেরকে বললে আমরা স্থানের কথা জানিয়ে দেব।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, চেয়ারপারসনের বিশেষ সরকারি শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মামলা-গ্রেপ্তার করে গণসমাবেশ দমানো যাবে না

আপডেট : ০৫:৪৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমাবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২২
মামলা, হামলা ও গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে ১০ ডিসেম্বর গণসমাবেশ দমানো যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

তিনি বলেন, ঢাকা বিভাগীয় গণ সমাবেশের পূর্বে মামলা, হামলা ও গ্রেপ্তার করে একটি ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় সরকার। কিন্তু বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ভীত নয়। যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস মোকাবিলা করে আমরা আমাদের সমাবেশ সফল করবো ইনশাআল্লাহ।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, সাম্প্রতিক নয়াপল্টন পার্টি অফিসের সামনে ককটেল ফাটিয়েছিল (৩ ডিসেম্বর) এবং এই ধরনের কাজগুলো সরকার নিজে থেকে ঘোষণা দিয়েছিল, যে সন্ত্রাস হবে সন্ত্রাস হবে। দেশবাসীকে অবগত করতে চাই আমরা একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করব। এই সমাবেশে আমাদের পরবর্তী কার্যক্রম হয়তো ঘোষণা আসতে পারে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, সমাবেশ সফল করার জন্য যে কাজগুলো করা দরকার তা করতে পারবো না এরকম কোন নিষেধাজ্ঞা তো সরকার দেয়নি। তারপরও আমাদের নেতৃবৃন্দ রাত্রে বাসায় থাকতে পারছে না। গণসমাবেশ সফল করার জন্য প্রচারণায় হামলা করা হচ্ছে। সরকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে আমাদের সাথে, আর তারা বারবার বলছে বিএনপি সন্ত্রাস করে। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করব সেখানে আমরা সন্ত্রাস করতে যাব কেন।

সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা কেন সন্ত্রাস করতে যাব সেটা আমাদের মাথায় আসছে না।

তিনি বলেন, গতকাল ইঞ্জিনিয়ার ইসরাকের উপর হামলা চালিয়ে তারা প্রমাণ করেছে, যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম তারাই করছে। আমার বাসায় সকালে একটি কর্মীসভা করার কথা ছিল। যেখানে আমি কথা বলে একটি দিক নির্দেশনা দেব শান্তিপূর্ণ সমাবেশের বিষয়ে। সেটা আমাদের করতে দেয়া হয়নি। বাড়ির চারদিকে সিভিল এবং পোশাকধারী পুলিশ ঘিরে ফেলল।

“আমাদের সিদ্ধান্ত রয়েছে পল্টনেই সমাবেশ করব। তারপর আমরা সরকারের বিবেচনায় ছেড়েছি, আশা করবো তারা বিবেচনা করবেন এবং আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে কোন বাধার চেষ্টা করবে না।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং তুরাগ নদীর তীর ব্যতীত রাজধানীর মধ্যে সন্তোষজনক আমরা যেটা নিরাপত্তা মনে করবো সেরকম স্থান যদি তারা আমাদের বলে তাহলে আমরা চিন্তা করে দেখব। যদি না পারে তাহলে আমাদেরকে বললে আমরা স্থানের কথা জানিয়ে দেব।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, চেয়ারপারসনের বিশেষ সরকারি শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস প্রমুখ।