ঢাকা ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আওয়ামী লীগ মিথ্যাচার করছে: শাহাদাত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট : ১১:৪৭:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমাবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১
  • / 176

ডা. শাহাদাত হোসেন। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হওয়ার কারণে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে মিথ্যাচারে নেমেছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।

রোববার বিকালে নগরীর নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির প্রস্ততি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে দেয়া আওয়ামী লীগের বক্তব্য রুচিহীন ও নির্লজ্জ মিথ্যাচার। এ ধরনের বক্তব্য ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার শামিল। করোনা ব্যবস্থাপনায় সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে এবং জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই এই মিথ্যাচার শুরু করেছে।

চট্টগ্রামের এক মন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে শুধু শহীদ জিয়াউর রহমান ও তার সাথে কিছু সেনা অফিসার শাহাদাৎবরণ করেছেন। এটা চট্টগ্রামবাসীসহ সবাই জানে। এর বাইরে যদি অন্য কেউ শহীদ হয়ে থাকেন, তাহলে তার দালিলিক প্রমাণ দিন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার অংশ হিসেবে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারই অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য দেয়া বীর উত্তম খেতাব কেড়ে নিতে উঠেপড়ে লেগেছে। কাজীর দেউড়ি জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের নাম মুছে ফেলার জন্য বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে। শহীদ জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার ইতিহাসকে বিকৃত করে নতুন প্রজন্মের কাছে বিকৃত ইতিহাস উপস্থাপন করছে। কিন্তু দেশের মানুষ এখন তাদের এসব মিথ্যা ভিত্তিহীন কথা বিশ্বাস করে না। কারণ এই চট্টগ্রামের মাটিতে জিয়াউর রহমান শাহাদাৎবরণ করেছেন এবং সার্কিট হাউসে মিশে আছে শহীদ জিয়ার রক্ত। জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র হলে চট্টগ্রামবাসী তার কঠোর জবাব দেবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। মেজর জিয়া ছিলেন রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সেনাপ্রধান এবং বাংলাদেশের একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য স্বাধীনতা পরবর্তী সরকার তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করেছে। অনেকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস না জেনে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। কিন্তু শহীদ জিয়াকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস রচনা করা সম্ভব নয়। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার অপর নাম জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের আপামর মানুষের হৃদয়ে মেজর জিয়া নামেই প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকবেন।

বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রস্তুতি সভায় বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর দুই নম্বর গেইট বিপ্লব উদ্যোনে পুস্পস্তবক অর্পণ, বিকাল তিনটায় নাসিমন ভবন দলীয় কার্যায় মাঠে আলোচনা সভা, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আলোচনা সভা ও জিয়াউর রহমানের ভাষণ প্রচার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়াও সপ্তাহব্যাপী ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আওয়ামী লীগ মিথ্যাচার করছে: শাহাদাত

আপডেট : ১১:৪৭:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমাবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হওয়ার কারণে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে মিথ্যাচারে নেমেছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।

রোববার বিকালে নগরীর নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির প্রস্ততি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে দেয়া আওয়ামী লীগের বক্তব্য রুচিহীন ও নির্লজ্জ মিথ্যাচার। এ ধরনের বক্তব্য ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার শামিল। করোনা ব্যবস্থাপনায় সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে এবং জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই এই মিথ্যাচার শুরু করেছে।

চট্টগ্রামের এক মন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে শুধু শহীদ জিয়াউর রহমান ও তার সাথে কিছু সেনা অফিসার শাহাদাৎবরণ করেছেন। এটা চট্টগ্রামবাসীসহ সবাই জানে। এর বাইরে যদি অন্য কেউ শহীদ হয়ে থাকেন, তাহলে তার দালিলিক প্রমাণ দিন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার অংশ হিসেবে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারই অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য দেয়া বীর উত্তম খেতাব কেড়ে নিতে উঠেপড়ে লেগেছে। কাজীর দেউড়ি জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের নাম মুছে ফেলার জন্য বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে। শহীদ জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার ইতিহাসকে বিকৃত করে নতুন প্রজন্মের কাছে বিকৃত ইতিহাস উপস্থাপন করছে। কিন্তু দেশের মানুষ এখন তাদের এসব মিথ্যা ভিত্তিহীন কথা বিশ্বাস করে না। কারণ এই চট্টগ্রামের মাটিতে জিয়াউর রহমান শাহাদাৎবরণ করেছেন এবং সার্কিট হাউসে মিশে আছে শহীদ জিয়ার রক্ত। জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র হলে চট্টগ্রামবাসী তার কঠোর জবাব দেবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। মেজর জিয়া ছিলেন রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সেনাপ্রধান এবং বাংলাদেশের একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য স্বাধীনতা পরবর্তী সরকার তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করেছে। অনেকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস না জেনে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। কিন্তু শহীদ জিয়াকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস রচনা করা সম্ভব নয়। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার অপর নাম জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের আপামর মানুষের হৃদয়ে মেজর জিয়া নামেই প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকবেন।

বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রস্তুতি সভায় বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর দুই নম্বর গেইট বিপ্লব উদ্যোনে পুস্পস্তবক অর্পণ, বিকাল তিনটায় নাসিমন ভবন দলীয় কার্যায় মাঠে আলোচনা সভা, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আলোচনা সভা ও জিয়াউর রহমানের ভাষণ প্রচার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়াও সপ্তাহব্যাপী ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়।