ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হ্যাটট্রিক শিরোপা আবাহনীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট : ০৩:৪০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুন ২০২১
  • / 174
::স্পোর্টস ডেস্ক::

টানটান উত্তেজনাপূর্ণ সুপার লিগ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে প্রাইম ব্যাংককে ৮ রানে হারিয়ে ডিপিএলে টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে আবাহনী লিমিটেড।

শেষ পাঁচ টুর্নামেন্টের মধ্যে চারবারই জিতল আকাশি-নীল জার্সিধারীরা। মিরপুরে এদিন ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ১৫০ রান তুলে আবাহনী। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৪২ রানে থামে প্রাইম ব্যাংকের ইনিংস।

ম্যাচের শুরুতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি আবাহনীর। শূন্যরানেই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ আউট হওয়ার পর মাত্র ৩ রানে ফেরেন আরেক ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার। দ্বিতীয় উইকেটে ব্যাট করতে নেমে ১৩ বলে ১৯ রানে ফেরেন লিটন দাস।

শুরুতেই তিন ব্যাটসম্যান আউট হয়ে খেই হারানো আবাহনীর ম্যাচের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত এবং অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। চতুর্থ উইকেট জুটিতে দুজনে করেন ৭০ রান। অতপর ৪০ বলে ৪৫ রানে শান্ত এবং ৩৯ বলে ৪০ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মোসাদদ্দেক।

শেষদিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ১৩ বলে ২১ রান করলে ৭ উইকেটে ১৫০ রানের লড়াকু স্কোর সংগ্রহ করে চ্যাম্পিয়নরা। প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন রুবেল হোসেন।

১৫১ রান তাড়া করতে নেমে ব্যক্তিগত ১ রানেই ফেরেন প্রাইম ব্যাংকের ওপেনার রনি তালুকদার। আবাহনী পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে মেহেদী হাসান রানার হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে ব্যাট করতে আসা প্রাইম ব্যাংক অধিনায়ক আউট হন ১৩ রানে। এবারো ঘাতক সেই সাইফউদ্দিনই।

এরপর অলক কাপালি ছাড়া দলের পক্ষে ক্রিজে দাঁড়াতে পারেননি কেউই। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেয়েও দলকে শিরোপার স্বাদ এনে দিতে পারেনি দলীয় এই হার্ড হিটার ব্যাটসম্যান। কাপালি অপরাজিত থাকেন ১৭ বলে ৩৪ রানে। আর প্রাইম ব্যাংকের ইনিংস থামে ১৪২ রানে।

ব্যাট হাতে ২১ রান এবং বল হাতে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন আবাহনী লিমিটেডের বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হ্যাটট্রিক শিরোপা আবাহনীর

আপডেট : ০৩:৪০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুন ২০২১
::স্পোর্টস ডেস্ক::

টানটান উত্তেজনাপূর্ণ সুপার লিগ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে প্রাইম ব্যাংককে ৮ রানে হারিয়ে ডিপিএলে টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে আবাহনী লিমিটেড।

শেষ পাঁচ টুর্নামেন্টের মধ্যে চারবারই জিতল আকাশি-নীল জার্সিধারীরা। মিরপুরে এদিন ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ১৫০ রান তুলে আবাহনী। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৪২ রানে থামে প্রাইম ব্যাংকের ইনিংস।

ম্যাচের শুরুতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি আবাহনীর। শূন্যরানেই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ আউট হওয়ার পর মাত্র ৩ রানে ফেরেন আরেক ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার। দ্বিতীয় উইকেটে ব্যাট করতে নেমে ১৩ বলে ১৯ রানে ফেরেন লিটন দাস।

শুরুতেই তিন ব্যাটসম্যান আউট হয়ে খেই হারানো আবাহনীর ম্যাচের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত এবং অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। চতুর্থ উইকেট জুটিতে দুজনে করেন ৭০ রান। অতপর ৪০ বলে ৪৫ রানে শান্ত এবং ৩৯ বলে ৪০ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মোসাদদ্দেক।

শেষদিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ১৩ বলে ২১ রান করলে ৭ উইকেটে ১৫০ রানের লড়াকু স্কোর সংগ্রহ করে চ্যাম্পিয়নরা। প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন রুবেল হোসেন।

১৫১ রান তাড়া করতে নেমে ব্যক্তিগত ১ রানেই ফেরেন প্রাইম ব্যাংকের ওপেনার রনি তালুকদার। আবাহনী পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে মেহেদী হাসান রানার হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে ব্যাট করতে আসা প্রাইম ব্যাংক অধিনায়ক আউট হন ১৩ রানে। এবারো ঘাতক সেই সাইফউদ্দিনই।

এরপর অলক কাপালি ছাড়া দলের পক্ষে ক্রিজে দাঁড়াতে পারেননি কেউই। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেয়েও দলকে শিরোপার স্বাদ এনে দিতে পারেনি দলীয় এই হার্ড হিটার ব্যাটসম্যান। কাপালি অপরাজিত থাকেন ১৭ বলে ৩৪ রানে। আর প্রাইম ব্যাংকের ইনিংস থামে ১৪২ রানে।

ব্যাট হাতে ২১ রান এবং বল হাতে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন আবাহনী লিমিটেডের বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।