ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শোক দিবসে প্রকাশ্যে গুলি, আরেক যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট : ০১:১৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • / 117
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচিতে সংঘর্ষের সময় প্রকাশ্যে গুলি ছোড়ার ঘটনায় গিয়াস উদ্দীন জিকু নামে আরেক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার দুপুরে বিষয়টি জানিয়েছেন চন্দনাইশ থানার ওসি (তদন্ত) মো. মজনু মিয়া। এর আগে শনিবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার মুরাদনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মজনু মিয়া বলেন, ‘গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে জিকুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

এর আগে শুক্রবার মধ্যরাতে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য মো. গিয়াস উদ্দিন (৪১) সুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরেক সহযোগী মাঈন উদ্দিনকে (৩৯) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তুল, একটি রিভলবার এবং ১৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩০ আগস্ট চন্দনাইশের হাশিমপুরে একটি কমিউনিটি সেন্টারে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ব্যানারে শোক দিবসের আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এ আয়োজনের দায়িত্ব ছিল গিয়াস উদ্দিনের ওপর। ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের বিরোধের জের ধরে অপর একটি পক্ষ ওই কর্মসূচিতে হামলা করে। তারা চলে যাওয়ার পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে আগুন ধরিয়ে গিয়াস প্রকাশ্যে গুলি ছোড়েন। সেই ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

হামলার ঘটনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার দুই পক্ষ থেকে চন্দনাইশ থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়। গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। এ মামলায় এক নম্বর আসামি করা হয়েছে চন্দনাইশ পৌরসভা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি ও পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবু তৈয়বকে।

অন্যদিকে আবু তৈয়বের পক্ষে করা মামলায় বাদী হন উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য মো. আবুল ফয়সাল। এতে ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ মামলায় এক নম্বর আসামি করা হয়েছে গিয়াস উদ্দিনকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শোক দিবসে প্রকাশ্যে গুলি, আরেক যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

আপডেট : ০১:১৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচিতে সংঘর্ষের সময় প্রকাশ্যে গুলি ছোড়ার ঘটনায় গিয়াস উদ্দীন জিকু নামে আরেক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার দুপুরে বিষয়টি জানিয়েছেন চন্দনাইশ থানার ওসি (তদন্ত) মো. মজনু মিয়া। এর আগে শনিবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার মুরাদনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মজনু মিয়া বলেন, ‘গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে জিকুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

এর আগে শুক্রবার মধ্যরাতে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য মো. গিয়াস উদ্দিন (৪১) সুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরেক সহযোগী মাঈন উদ্দিনকে (৩৯) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তুল, একটি রিভলবার এবং ১৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩০ আগস্ট চন্দনাইশের হাশিমপুরে একটি কমিউনিটি সেন্টারে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ব্যানারে শোক দিবসের আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এ আয়োজনের দায়িত্ব ছিল গিয়াস উদ্দিনের ওপর। ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের বিরোধের জের ধরে অপর একটি পক্ষ ওই কর্মসূচিতে হামলা করে। তারা চলে যাওয়ার পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে আগুন ধরিয়ে গিয়াস প্রকাশ্যে গুলি ছোড়েন। সেই ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

হামলার ঘটনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার দুই পক্ষ থেকে চন্দনাইশ থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়। গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। এ মামলায় এক নম্বর আসামি করা হয়েছে চন্দনাইশ পৌরসভা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি ও পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবু তৈয়বকে।

অন্যদিকে আবু তৈয়বের পক্ষে করা মামলায় বাদী হন উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য মো. আবুল ফয়সাল। এতে ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ মামলায় এক নম্বর আসামি করা হয়েছে গিয়াস উদ্দিনকে।